চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ – ঢাকা টু চট্টগ্রাম আপডেট

By jihad

Published on:

চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ – ঢাকা টু চট্টগ্রাম আপডেট

বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের সাথে রাজধানী ঢাকার সেতুবন্ধন রচনায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে চট্টলা এক্সপ্রেস। বাংলাদেশ রেলওয়ের এই আন্তঃনগর ট্রেনটি ২০১০ সালের ১লা নভেম্বর যাত্রা শুরু করে  এবং দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক বাহন হিসেবে পরিচিত।

চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটির বিশেষত্ব হলো এটি সপ্তাহে ৬ দিন ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচল করে এবং যাত্রাপথে মোট ১৪টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয় । এই বিরতি স্টেশনগুলোর কারণে ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব ও নরসিংদীর যাত্রীরাও সহজেই এই ট্রেনে উঠানামা করতে পারেন।

২০২৬ সালেও এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা অপরিবর্তিত রয়েছে। যারা অফিসের কাজে কিংবা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে চট্টগ্রাম যান, তাদের কাছে চট্টলা এক্সপ্রেস একটি বিশ্বস্ত নাম। সময়ানুবর্তিতা, আরামদায়ক আসন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কোচ—এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই একে যাত্রীদের প্রথম পছন্দ করে তুলেছে।

ট্রেনটির পুরো যাত্রাপথের দূরত্ব প্রায় ৩৪৬ কিলোমিটার, যা অতিক্রম করতে সময় লাগে প্রায় ৭ ঘণ্টা ২৫ মিনিট । চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটির লোড ১২/২৪ এবং মোট আসন সংখ্যা ৫৮০টি । এতে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা ও এসি সিট—তিন ধরনের আসন সুবিধা রয়েছে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—চট্টলা এক্সপ্রেস সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। শুক্রবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটির দিন । তবে কিছু সূত্রে ট্রেনটির অফ ডে মঙ্গলবার উল্লেখ থাকলেও অধিকাংশ নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী শুক্রবারকেই ছুটির দিন ধরা হয় । ভ্রমণের আগে একবার বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সাইট চেক করে নেওয়া নিরাপদ।

এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো চট্টলা এক্সপ্রেসের সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা, ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময়, শ্রেণিভেদে ভাড়া, টিকিট কাটার নিয়ম এবং যাত্রার আগে আপনার যেসব প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। নিচের তথ্যগুলো ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। তাহলে শুরু করা যাক।

চট্টলা এক্সপ্রেসের বিস্তারিত সময়সূচী ও ভাড়া

১. ট্রেন সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য

 

বৈশিষ্ট্য তথ্য
ট্রেনের নাম চট্টলা এক্সপ্রেস (Chattala Express)
ট্রেন নম্বর (চট্টগ্রাম→ঢাকা) ৮০১
ট্রেন নম্বর (ঢাকা→চট্টগ্রাম) ৮০২
রুট চট্টগ্রাম ↔ ঢাকা (কমলাপুর)
মোট দূরত্ব প্রায় ৩৪৬ কিলোমিটার
মোট ভ্রমণ সময় প্রায় ৭ ঘণ্টা ২৫ মিনিট
ট্রেনের ধরন আন্তঃনগর (খ শ্রেণী)
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার
সর্বপ্রথম চালু ১ নভেম্বর ২০১০
মোট বগি সংখ্যা ১৪টি
মোট আসন সংখ্যা ৫৮০টি (প্রথম সিট ২৭টি + শোভন/শোভন চেয়ার ৫৫৩টি)

 

২. চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা (ট্রেন নং ৮০১) – সময়সূচী ও স্টেশন তালিকা

চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০১) চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৬:০০টায় যাত্রা শুরু করে এবং দুপুর ১২:৪০ মিনিটে ঢাকা কমলাপুর পৌঁছায় ।

 সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা (চট্টগ্রাম→ঢাকা)

ক্রম স্টেশনের নাম প্রবেশের সময় ছাড়ার সময়
চট্টগ্রাম সকাল ০৬:০০
কুমিরা সকাল ০৬:২৬ সকাল ০৬:২৮
ফেনী জংশন সকাল ০৭:২৮ সকাল ০৭:৩০
হাসানপুর সকাল ০৭:৫২ সকাল ০৭:৫৪
নাঙ্গলকোট সকাল ০৮:০২ সকাল ০৮:০৪
লাকসাম জংশন সকাল ০৮:১৭ সকাল ০৮:১৯
কুমিল্লা সকাল ০৮:৪১ সকাল ০৮:৪৩
শশীদল সকাল ০৯:০৫ সকাল ০৯:০৭
কসবা সকাল ০৯:৩৯ সকাল ০৯:৪১
১০ আখাউড়া জংশন সকাল ১০:০৫ সকাল ১০:০৭
১১ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সকাল ১০:২৬ সকাল ১০:২৮
১২ ভৈরব বাজার জংশন সকাল ১০:৫০ সকাল ১০:৫২
১৩ মেথিকান্দা সকাল ১১:০৮ সকাল ১১:১০
১৪ নরসিংদী সকাল ১১:২৭ সকাল ১১:২৯
১৫ ঢাকা বিমানবন্দর দুপুর ১২:১০ দুপুর ১২:১৫
১৬ ঢাকা কমলাপুর দুপুর ১২:৪০

 

৩. ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম (ট্রেন নং ৮০২) – সময়সূচী ও স্টেশন তালিকা

ফেরার পথে ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর থেকে দুপুর ২:১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং রাত ৮:৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছায় ।

 সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা (ঢাকা→চট্টগ্রাম)

ক্রম স্টেশনের নাম প্রবেশের সময় ছাড়ার সময়
ঢাকা কমলাপুর দুপুর ০২:১৫
ঢাকা বিমানবন্দর দুপুর ০২:৩৮ দুপুর ০২:৪৩
নরসিংদী বিকাল ০৩:২০ বিকাল ০৩:২২
মেথিকান্দা বিকাল ০৩:৪১ বিকাল ০৩:৪৩
ভৈরব বাজার জংশন বিকাল ০৩:৫৭ বিকাল ০৩:৫৯
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিকাল ০৪:১৯ বিকাল ০৪:২১
আখাউড়া জংশন বিকাল ০৪:৪২ বিকাল ০৪:৪৪
কসবা বিকাল ০৫:০১ বিকাল ০৫:০৩
শশীদল বিকাল ০৫:১৬ বিকাল ০৫:১৮
১০ কুমিল্লা বিকাল ০৫:৪০ বিকাল ০৫:৪২
১১ লাকসাম জংশন সন্ধ্যা ০৬:০৪ সন্ধ্যা ০৬:০৬
১২ নাঙ্গলকোট সন্ধ্যা ০৬:২১ সন্ধ্যা ০৬:২১
১৩ হাসানপুর সন্ধ্যা ০৬:৩০ সন্ধ্যা ০৬:৩২
১৪ ফেনী জংশন সন্ধ্যা ০৬:৫৩ সন্ধ্যা ০৬:৫৫
১৫ কুমিরা সন্ধ্যা ০৭:৫৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৮
১৬ চট্টগ্রাম রাত ০৮:৩০

 

৪. চট্টলা এক্সপ্রেসের টিকিটের ভাড়া ২০২৬

চট্টলা এক্সপ্রেসের টিকিটের মূল্য আসন বিভাগ অনুযায়ী নির্ধারিত। নিচে ২০২৬ সালের ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো (উল্লেখিত ভাড়ার সাথে ১৫% ভ্যাট যুক্ত) :

আসনের বিভাগ টিকিটের মূল্য (১৫% ভ্যাটসহ)
শোভন চেয়ার ৪০৫ টাকা
স্নিগ্ধা ৭৭৭ টাকা
এসি সিট ৯৩২ টাকা

 

বিঃদ্রঃ: কম দূরত্বের যাত্রীদের জন্য (যেমন বিমানবন্দর থেকে নরসিংদী) ভাড়া তুলনামূলক কম হয়। তবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পুরো যাত্রার জন্য উপরের ভাড়াই প্রযোজ্য।

৫. ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের অন্যান্য ট্রেনের সাথে তুলনা

চট্টলা এক্সপ্রেস ছাড়াও এই রুটে আরও বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ট্রেন চলাচল করে :

ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর ঢাকা ছাড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছায় ছুটির দিন
চট্টলা এক্সপ্রেস ৮০২ দুপুর ০২:১৫ রাত ০৮:৩০ শুক্রবার
সুবর্ণ এক্সপ্রেস ৭০২ সকাল ০৭:০০ দুপুর ১২:১০ সোমবার
তূর্ণা এক্সপ্রেস ৭৪২ রাত ১০:৪৫ ভোর ০৪:০০ নেই
সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ৭৮৮ বিকাল ০৪:৪৫ রাত ১০:৩০ মঙ্গলবার
মহানগর গোধূলি ৭০৪ সকাল ০৭:৪৫ দুপুর ০১:০০ নেই

 

চট্টলা এক্সপ্রেস দুপুরের দিকে ছাড়ায় বলে বিকেলের মধ্যে যাত্রা শেষ করতে চান তাদের জন্য এটি উপযোগী। অন্যদিকে তূর্ণা এক্সপ্রেস রাতের ট্রেন হিসেবে কাজ করে।

উপসংহার

চট্টলা এক্সপ্রেস ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের একটি নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক আন্তঃনগর ট্রেন। ২০২৬ সালেও এর যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে দুপুর ১২:৪০টায় ঢাকা পৌঁছানোর সময়সূচীটি যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রীরা দুপুরের মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে তাদের কাজ শুরু করতে পারেন।

ট্রেনটির যাত্রাপথে রয়েছে মোট ১৪টি স্টেশন। ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব ও নরসিংদীর যাত্রীরা এই ট্রেনে খুব সহজেই যাতায়াত করতে পারেন। বিশেষ করে বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেনটি থামায় বিধায়, আকাশপথে ভ্রমণ শেষে যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে উঠতে পারেন।

চট্টলা এক্সপ্রেসের ভাড়া অত্যন্ত যৌক্তিক। শোভন চেয়ারে ৪০৫ টাকা থেকে শুরু করে এসি সিটে ৯৩২ টাকা পর্যন্ত—যে কেউ নিজের বাজেট মতো আসন বেছে নিতে পারেন । ট্রেনটিতে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং কোচগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয় ।

তবে ভ্রমণের আগে একটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি—চট্টলা এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে। শুক্রবার যাত্রা পরিকল্পনা করলে সুবর্ণ এক্সপ্রেস বা তূর্ণা এক্সপ্রেস বেছে নিতে হবে। সূত্র অনুযায়ী, চট্টলা এক্সপ্রেসের অফ ডে মঙ্গলবারও হতে পারে , তাই ভ্রমণের আগে একবার বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সাইট চেক করে নেওয়া নিরাপদ।

টিকিট আগে থেকেই অনলাইনে বুকিং দেওয়া উচিত। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করলে ঝামেলা কমে।

২০২৬ সালে আপনার চট্টগ্রাম ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে চট্টলা এক্সপ্রেস হতে পারে সেরা বাছাই। সঠিক সময়সূচী মেনে টিকিট কেটে নিন এবং নিশ্চিন্তে যাত্রা শুরু করুন। আপনার যাত্রা শুভ হোক।

চট্টলা এক্সপ্রেস ভ্রমণ টিপস

  1. টিকিট আগে বুকিং করুন: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়

  2. সঠিক দিন বেছে নিন: শুক্রবার যাত্রা করলে ট্রেন পাবেন না

  3. প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে রাখুন: দীর্ঘ পথের যাত্রায় খাবার ও পানি সাথে রাখা ভালো

  4. স্টেশনে আগে পৌঁছান: ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছে যান

  5. বিমানবন্দর স্টেশন ব্যবহার করুন: আকাশপথে ভ্রমণ শেষে চট্টলা এক্সপ্রেসে সরাসরি উঠতে পারেন

 Frequently Asked Questions (FAQ) – ৩০টি প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: চট্টলা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০২) ঢাকা কমলাপুর থেকে দুপুর ০২:১৫ মিনিটে ছাড়ে 。

প্রশ্ন ২: চট্টলা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০১) চট্টগ্রাম থেকে সকাল ০৬:০০ টায় ছাড়ে ।

প্রশ্ন ৩: চট্টলা এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে । কিছু সূত্রে মঙ্গলবার উল্লেখ থাকলেও অধিকাংশ সূত্র শুক্রবারকেই ছুটির দিন বলে।

প্রশ্ন ৪: চট্টলা এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম কত ২০২৬?
উত্তর: শোভন চেয়ার ৪০৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৭৭৭ টাকা, এসি সিট ৯৩২ টাকা (১৫% ভ্যাটসহ) ।

প্রশ্ন ৫: চট্টলা এক্সপ্রেসে কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: কুমিরা, ফেনী, হাসানপুর, নাঙ্গলকোট, লাকসাম, কুমিল্লা, শশীদল, কসবা, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব, মেথিকান্দা, নরসিংদী ও বিমানবন্দর ।

প্রশ্ন ৬: চট্টলা এক্সপ্রেসে এসি সিট আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনটিতে এসি সিট ও স্নিগ্ধা ক্লাস (এসি) রয়েছে ।

প্রশ্ন ৭: চট্টলা এক্সপ্রেস ঢাকা পৌঁছায় কখন?
উত্তর: চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে ট্রেনটি ঢাকা পৌঁছায় দুপুর ১২:৪০ মিনিটে ।

প্রশ্ন ৮: চট্টলা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম পৌঁছায় কখন?
উত্তর: ঢাকা থেকে ছেড়ে ট্রেনটি চট্টগ্রাম পৌঁছায় রাত ০৮:৩০ মিনিটে 。

প্রশ্ন ৯: চট্টলা এক্সপ্রেসে শোবার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: না, এই ট্রেনে বার্থ বা শোবার ব্যবস্থা নেই। শুধু সিট সুবিধা রয়েছে ।

প্রশ্ন ১০: চট্টলা এক্সপ্রেস বিমানবন্দর স্টেশনে কখন পৌঁছায়?
উত্তর: ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনটি বিমানবন্দরে পৌঁছায় দুপুর ০২:৩৮ মিনিটে ।

প্রশ্ন ১১: চট্টলা এক্সপ্রেস নরসিংদী স্টেশনে কখন পৌঁছায়?
উত্তর: ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনটি নরসিংদী পৌঁছায় বিকাল ০৩:২০ মিনিটে ।

প্রশ্ন ১২: চট্টলা এক্সপ্রেসের যাত্রা সময় কত ঘণ্টা?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেসের মোট যাত্রা সময় প্রায় ৬ ঘণ্টা ৪০ মিনিট থেকে ৭ ঘণ্টা ২৫ মিনিট ।

প্রশ্ন ১৩: ট্রেনের ভেতরে খাবার ব্যবস্থা আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, চট্টলা এক্সপ্রেসে অন-বোর্ড খাদ্য সুবিধা রয়েছে ।

প্রশ্ন ১৪: চট্টলা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
উত্তর: চট্টগ্রাম→ঢাকা ৮০১ এবং ঢাকা→চট্টগ্রাম ৮০২ 。

প্রশ্ন ১৫: মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত সিট আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনে মহিলা সংরক্ষিত বগি থাকে।

প্রশ্ন ১৬: অনলাইনে টিকিট কাটা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কাটা যায়।

প্রশ্ন ১৭: কুমিল্লা স্টেশনে ট্রেন কখন পৌঁছায়?
উত্তর: চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি কুমিল্লায় পৌঁছায় সকাল ০৮:৪১ মিনিটে 。

প্রশ্ন ১৮: ভৈরব বাজার স্টেশনের সময় কত?
উত্তর: ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনটি ভৈরব বাজারে পৌঁছায় বিকাল ০৩:৫৭ মিনিটে 。

প্রশ্ন ১৯: টিকিটের সাথে ভ্যাট যুক্ত আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রতিটি টিকিটের ভাড়ার সাথে ১৫% ভ্যাট যুক্ত থাকে 。

প্রশ্ন ২০: স্নিগ্ধা ক্লাসের টিকিট কত টাকা?
উত্তর: স্নিগ্ধা ক্লাসের টিকিট ৭৭৭ টাকা ।

প্রশ্ন ২১: চট্টলা এক্সপ্রেস কবে থেকে চালু হয়েছে?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস চালু হয় ২০১০ সালের ১লা নভেম্বর 。

প্রশ্ন ২২: ট্রেনটির সর্বোচ্চ গতিবেগ কত?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস সর্বোচ্চ ৮০ কিমি/ঘন্টা গতিতে চলে 。

প্রশ্ন ২৩: ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে বুকিং দেওয়া যায়?
উত্তর: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়।

প্রশ্ন ২৪: ফেনী স্টেশনে ট্রেন কখন পৌঁছায়?
উত্তর: চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি ফেনীতে পৌঁছায় সকাল ০৭:২৮ মিনিটে 。

প্রশ্ন ২৫: চট্টলা এক্সপ্রেসে বাচ্চাদের টিকিটের হার কত?
উত্তর: সাধারণত ৩ বছরের কম শিশুদের বিনামূল্যে, ৩-১২ বছর বয়সীদের অর্ধেক ভাড়া।

প্রশ্ন ২৬: বর্ষাকালে ট্রেন চলে?
উত্তর: স্বাভাবিক অবস্থায় চলে, তবে ভারী বৃষ্টিতে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।

প্রশ্ন ২৭: ট্রেন মিস করলে টিকিট ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট নিয়মে ট্রেন ছাড়ার আগে টিকিট জমা দিলে কিছু টাকা ফেরত পাওয়া যায়।

প্রশ্ন ২৮: চট্টলা এক্সপ্রেসের রেক বিন্যাস কেমন?
উত্তর: ট্রেনটির লোড ১২/২৪ এবং মোট আসন সংখ্যা ৫৮০টি ।

প্রশ্ন ২৯: কোথায় ট্রেনের লাইভ লোকেশন পাওয়া যায়?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের মোবাইল অ্যাপ বা ট্রেন ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটে।

প্রশ্ন ৩০: চট্টলা এক্সপ্রেস সপ্তাহে কত দিন চলে?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের ৬ দিন চলে ।

প্রশ্ন ৩১: চট্টলা এক্সপ্রেস বনাম সুবর্ণ এক্সপ্রেস কোনটা ভালো?
উত্তর: দুটোই জনপ্রিয় ট্রেন। চট্টলা এক্সপ্রেস দুপুরে ছাড়ে, সুবর্ণ এক্সপ্রেস সকালে ছাড়ে। সময় ও পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।

 

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ চট্টলা এক্সপ্রেস ২০২৬ আপডেট নিউজ চট্টলা এক্সপ্রেস ৮০২ এর সময়সূচী চট্টলা এক্সপ্রেস অনলাইন টিকিট চট্টলা এক্সপ্রেস আজকে আছে কি না চট্টলা এক্সপ্রেস আজকে বন্ধ কেন চট্টলা এক্সপ্রেস এসি সিট ভাড়া চট্টলা এক্সপ্রেস কয়টা বাজে চট্টলা এক্সপ্রেস কুমিল্লা কখন পৌঁছায় চট্টলা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে কখন ছাড়ে চট্টলা এক্সপ্রেস ছুটির দিন চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন নম্বর ৮০২ চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ চট্টলা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে চট্টলা এক্সপ্রেস নরসিংদী সময় চট্টলা এক্সপ্রেস নাকি তূর্ণা এক্সপ্রেস কোনটা ভালো চট্টলা এক্সপ্রেস ফেনী কখন পৌঁছায় চট্টলা এক্সপ্রেস বনাম তূর্ণা এক্সপ্রেস কোনটি দ্রুত চট্টলা এক্সপ্রেস বনাম সুবর্ণ এক্সপ্রেস চট্টলা এক্সপ্রেস বর্তমানে চালু আছে কি চট্টলা এক্সপ্রেস বিমানবন্দর সময় চট্টলা এক্সপ্রেস ভাড়া ২০২৬ চট্টলা এক্সপ্রেস ভৈরব কখন পৌঁছায় চট্টলা এক্সপ্রেস ভৈরব সময় চট্টলা এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ কেন চট্টলা এক্সপ্রেস শোভন চেয়ার ভাড়া চট্টলা এক্সপ্রেস স্টেশন তালিকা চট্টলা এক্সপ্রেস স্নিগ্ধা ভাড়া চট্টলা এক্সপ্রেসে ওয়াইফাই সুবিধা আছে চট্টলা এক্সপ্রেসে খাবার পাওয়া যায় কি চট্টলা এক্সপ্রেসে খাবারের ব্যবস্থা চট্টলা এক্সপ্রেসে মহিলা আসন সংরক্ষিত চট্টলা এক্সপ্রেসে শিশু টিকিটের হার চট্টলা এক্সপ্রেসের ইতিহাস ও তথ্য চট্টলা এক্সপ্রেসের এসি সিট কত টাকা চট্টলা এক্সপ্রেসের ছুটির দিন কি শুক্রবার নাকি মঙ্গলবার চট্টলা এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম কত ২০২৬ চট্টলা এক্সপ্রেসের বগি সংখ্যা কত চট্টলা এক্সপ্রেসের ভাড়া ২০২৬ কত টাকা চট্টলা এক্সপ্রেসের যাত্রা সময় কত ঘণ্টা চট্টলা এক্সপ্রেসের শোভন চেয়ার ভাড়া চট্টলা এক্সপ্রেসের সময়সূচী ২০২৬ পিডিএফ চট্টলা এক্সপ্রেসের সর্বোচ্চ গতিবেগ চট্টলা এক্সপ্রেসের স্টেশন লিস্ট চট্টলা এক্সপ্রেসের স্নিগ্ধা ক্লাস কেমন চট্টলা এক্সপ্রেসের হেল্পলাইন নম্বর ঢাকা চট্টগ্রাম দ্রুততম ট্রেন ঢাকা টু চট্টগ্রাম চট্টলা এক্সপ্রেস দুপুরের ট্রেন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর ট্রেন ২০২৬

Leave a Comment