ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

By jihad

Published on:

Table of Contents

🚆 ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ 

কুমিল্লা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহর। প্রাচীন এই নগরীতে রয়েছে শালবন বিহার, ময়নামতি জাদুঘর, ওয়ার সেমেট্রি এবং শতরঞ্জি পিলের মতো দর্শনীয় স্থান। ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটনের জন্য রাজধানী ঢাকা থেকে প্রতিদিন হাজারো মানুষ কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হন। সড়কপথে যাতায়াতের পাশাপাশি ট্রেন ভ্রমণ একটি নির্ভরযোগ্য, আরামদায়ক ও সময়োপযোগী মাধ্যম।

২০২৬ সালেও ঢাকা থেকে কুমিল্লা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ও সচল রয়েছে। ঢাকা থেকে কুমিল্লার রেলপথের দূরত্ব প্রায় ১৯১ কিলোমিটার । এই রুটে বর্তমানে ৯টি ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তঃনগর ট্রেন, মেইল ট্রেন ও কমিউটার ট্রেন 

ট্রেন ভ্রমণের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সময়ানুবর্তিতা ও নিরাপত্তা। সড়কপথে কুমিল্লা যেতে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা সময় লাগে, অথচ ট্রেনে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যায়। ট্রেনের জানালা দিয়ে গ্রামীণ প্রকৃতি ও সবুজ মাঠের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী ট্রেনগুলোর সম্পূর্ণ সময়সূচী, টিকিটের মূল্য, আসন শ্রেণি, স্টেশন তালিকা, টিকিট কাটার নিয়ম এবং যাত্রার আগে করণীয় বিষয়গুলো। তথ্যগুলো ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।

ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

ঢাকা থেকে কুমিল্লা রুটে বর্তমানে ৯টি ট্রেন চলাচল করে। নিচে ট্রেনগুলোর বিস্তারিত সময়সূচী দেওয়া হলো:

আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী

ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর ছাড়ার সময় (ঢাকা) পৌঁছানোর সময় (কুমিল্লা) ভ্রমণ সময় সাপ্তাহিক ছুটি
মহানগর প্রভাতী ৭০৪ সকাল ০৭:৪৫ সকাল ১০:৫১ – ১১:০১ ~৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট কোনো ছুটি নেই 
চট্টলা এক্সপ্রেস ৮০২ / ৬৮ দুপুর ০১:৪৫ – ০২:১৫ বিকাল ০৫:১৭ – ০৫:৪০ ~৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট শুক্রবার 
উপকূল এক্সপ্রেস ৭১২ দুপুর ০৩:১০ – ০৩:২০ সন্ধ্যা ০৬:৩৮ – ০৭:০১ ~৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট মঙ্গলবার 
মহানগর এক্সপ্রেস ৭২২ রাত ০৯:২০ রাত ১২:৪৬ – ১২:৪৭ ~৩ ঘণ্টা ২৬ মিনিট রবিবার 
তূর্ণা এক্সপ্রেস ৭৪২ রাত ১১:১৫ – ১১:৩০ রাত ০২:৩৩ – ০৩:২০ ~৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট কোনো ছুটি নেই 

মেইল ও কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী

ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর ছাড়ার সময় (ঢাকা) পৌঁছানোর সময় (কুমিল্লা) সাপ্তাহিক ছুটি
কুমিল্লা কমিউটার ৮৯ সকাল ০৬:১০ দুপুর ১২:৫৫ মঙ্গলবার 
চট্টগ্রাম মেইল ০২ রাত ১১:৪৫ ভোর ০৩:৩৩ কোনো ছুটি নেই 
কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ০৪ সকাল ০৮:৪৫ দুপুর ০২:২৬ কোনো ছুটি নেই 
ঢাকা এক্সপ্রেস ১১ রাত ১১:৩৩ সকাল ০৬:৪০ কোনো ছুটি নেই 

🗺️ যাত্রাপথের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন তালিকা

ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে ট্রেনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। নিচে প্রধান ট্রেনগুলোর স্টেশন তালিকা দেওয়া হলো:

মহানগর প্রভাতী (৭০৪) ও তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) এর স্টেশন

এই দুটি ট্রেন যাত্রাপথে নিচের স্টেশনগুলোতে থামে :

ক্রম স্টেশনের নাম
ঢাকা বিমানবন্দর
ভৈরব বাজার জংশন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আখাউড়া জংশন
কুমিল্লা

উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) ও মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) এর স্টেশন

এই ট্রেনগুলো যাত্রাপথে নিচের স্টেশনগুলোতে থামে :

ক্রম স্টেশনের নাম
ঢাকা বিমানবন্দর
নরসিংদী জংশন
ভৈরব বাজার জংশন
আশুগঞ্জ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আখাউড়া জংশন
কসবা
কুমিল্লা

💰 ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনের ভাড়া ২০২৬

ঢাকা-কুমিল্লা রুটে ট্রেনের ভাড়া আসন বিভাগ ও ট্রেন ভেদে নির্ধারিত। নিচে বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো:

সূত্র অনুযায়ী ভাড়ার তালিকা

আসনের বিভাগ ভাড়া (টাকায়) – সূত্র ১ ভাড়া (টাকায়) – সূত্র ২ ভাড়া (টাকায়) – সূত্র ৩
শোভন চেয়ার ২০৫  ২২৫  ২৫০ 
প্রথম আসন ২৭০  ৩৪৫  ৩৮৬ 
প্রথম বার্থ ৪০৫  ৫১৮  ৬২৫ 
স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) ৩৯১  ৪৩২  ৪৮৩ 
এসি সিট ৪৬৬  ৫১৮  ৫৭৫ 
এসি বার্থ ৭০২  ৭৭৭  ৯১৩ 

বিঃদ্রঃ: ভাড়ার তারতম্য হতে পারে। টিকিট কাটার সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সঠিক ভাড়া যাচাই করে নিন। অনলাইনে টিকিট বুকিং করলে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে।

📋 বিভিন্ন ট্রেনের বিশেষত্ব

তূর্ণা এক্সপ্রেস

তূর্ণা এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি অত্যাধুনিক ও জনপ্রিয় ট্রেন। এটি ২০০০ সালের ১১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে এবং বর্তমানে লাল-সবুজ রঙের ইন্দোনেশীয় এয়ার ব্রেক কোচে চলাচল করে । ট্রেনটির বিশেষত্ব হলো এতে খাবারের ক্যান্টিন, নামাজের স্থান ও রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে 

চট্টলা এক্সপ্রেস

চট্টলা এক্সপ্রেস ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন। এটি দুপুরের দিকে ঢাকা ছেড়ে বিকালে কুমিল্লায় পৌঁছায়। ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার 

উপকূল এক্সপ্রেস

উপকূল এক্সপ্রেস নাম থেকে বোঝা যায় এটি মূলত উপকূলীয় এলাকার যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটির দিন মঙ্গলবার 

🎫 টিকিট অনলাইন বুকিংয়ের নিয়ম

ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনের টিকিট পেতে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন:

১. অনলাইনে টিকিট কাটুন

বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd বা Rail Sheba অ্যাপ থেকে টিকিট কাটা যায়।

২. যাত্রার ৭ দিন আগে বুকিং দিন

টিকিট সাধারণত যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮টায় খোলা হয়।

৩. কাউন্টার থেকেও টিকিট পাবেন

কমলাপুর ও কুমিল্লা রেলস্টেশনের কাউন্টার থেকেও টিকিট কেনা যায়।

টিকিট বুকিংয়ের সময় খরচ

খরচের ধরন পরিমাণ
সার্ভিস চার্জ (প্রতি টিকিট) ২০ টাকা
বেডিং চার্জ (এসি বার্থ/এসি সিট) ৫০ টাকা

💡 ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেন ভ্রমণ টিপস

  1. টিকিট আগে বুকিং করুন: যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮টায় অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়ার চেষ্টা করুন।

  2. সঠিক ট্রেন বেছে নিন:

    • সকালে যেতে চাইলে: মহানগর প্রভাতী (সকাল ০৭:৪৫)

    • দুপুরে যেতে চাইলে: চট্টলা এক্সপ্রেস (দুপুর ০১:৪৫) বা উপকূল এক্সপ্রেস (দুপুর ০৩:১০)

    • রাতে যেতে চাইলে: মহানগর এক্সপ্রেস (রাত ০৯:২০) বা তূর্ণা এক্সপ্রেস (রাত ১১:১৫)

  3. ছুটির দিন জেনে নিন:

    • চট্টলা এক্সপ্রেস: শুক্রবার বন্ধ

    • উপকূল এক্সপ্রেস: মঙ্গলবার বন্ধ

    • মহানগর এক্সপ্রেস: রবিবার বন্ধ

    • মহানগর প্রভাতী ও তূর্ণা এক্সপ্রেস: কোনো ছুটি নেই 

  4. প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে রাখুন: যাত্রায় খাবার ও পানি সাথে রাখা ভালো। ট্রেনে ক্যাটারিং সুবিধা আছে।

  5. স্টেশনে আগে পৌঁছান: ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছে যান।

  6. ঈদের সময় স্পেশাল ট্রেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সময় এই রুটে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়

ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনের তুলনামূলক তথ্য এক নজরে

ট্রেনের নাম ঢাকা ছাড়ে কুমিল্লা পৌঁছায় ছুটির দিন যাত্রা সময় বিশেষত্ব
মহানগর প্রভাতী সকাল ০৭:৪৫ সকাল ১০:৫১ নেই ~৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট সকালের ট্রেন
চট্টলা এক্সপ্রেস দুপুর ০১:৪৫ বিকাল ০৫:১৭ শুক্রবার ~৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট দুপুরের ট্রেন
উপকূল এক্সপ্রেস দুপুর ০৩:১০ সন্ধ্যা ০৬:৩৮ মঙ্গলবার ~৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট বিকালের ট্রেন
মহানগর এক্সপ্রেস রাত ০৯:২০ রাত ১২:৪৬ রবিবার ~৩ ঘণ্টা ২৬ মিনিট রাতের ট্রেন
তূর্ণা এক্সপ্রেস রাত ১১:১৫ রাত ০২:৩৩ নেই ~৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট আরামদায়ক এসি ট্রেন

 

উপসংহার 

ঢাকা থেকে কুমিল্লা ট্রেন যাত্রা অত্যন্ত সাশ্রয়ী, আরামদায়ক ও সময়োপযোগী একটি ভ্রমণ মাধ্যম। ২০২৬ সালেও এই রুটে ৯টি ট্রেন চলাচল করছে, যার মধ্যে ৫টি আন্তঃনগর, ৩টি মেইল ও ১টি কমিউটার ট্রেন।

একনজরে সব তথ্য:

ট্রেনের ধরন সংখ্যা প্রধান ট্রেনসমূহ
আন্তঃনগর ৫টি মহানগর প্রভাতী, চট্টলা, উপকূল, মহানগর এক্সপ্রেস, তূর্ণা
মেইল ৩টি চট্টগ্রাম মেইল, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, ঢাকা এক্সপ্রেস
কমিউটার ১টি কুমিল্লা কমিউটার

টিকিটের দাম তুলনামূলকভাবে যুক্তিসংগত। শোভন চেয়ারে ২০৫-২৫০ টাকা, স্নিগ্ধায় ৩৯১-৪৮৩ টাকা এবং এসি সিটে ৪৬৬-৫৭৫ টাকায় ভ্রমণ করা যায়।

যাত্রার আগে অবশ্যই ট্রেনের ছুটির দিন জেনে নিন:

  • চট্টলা এক্সপ্রেস: শুক্রবার বন্ধ

  • উপকূল এক্সপ্রেস: মঙ্গলবার বন্ধ

  • মহানগর এক্সপ্রেস: রবিবার বন্ধ

টিকিট আগে থেকেই অনলাইনে বুকিং দেওয়া ভালো। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করলে ঝামেলা কমে এবং নিশ্চিত আসন পাওয়া যায়।

২০২৬ সালে আপনার কুমিল্লা ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে সঠিক সময়সূচী মেনে টিকিট কেটে নিন এবং নিশ্চিন্তে যাত্রা শুরু করুন। আপনার যাত্রা শুভ হোক! 🚆

❓ Frequently Asked Questions (FAQ)

প্রশ্ন ১: ঢাকা থেকে কুমিল্লা ট্রেন কয়টি?
উত্তর: ঢাকা থেকে কুমিল্লায় বর্তমানে ৯টি ট্রেন চলাচল করে—৫টি আন্তঃনগর, ৩টি মেইল ও ১টি কমিউটার ট্রেন .

প্রশ্ন ২: ঢাকা থেকে কুমিল্লার প্রথম ট্রেন কোনটি?
উত্তর: ঢাকা থেকে কুমিল্লার প্রথম ট্রেন হলো কুমিল্লা কমিউটার, যা সকাল ০৬:১০ মিনিটে ছাড়ে .

প্রশ্ন ৩: ঢাকা থেকে কুমিল্লার শেষ ট্রেন কোনটি?
উত্তর: শেষ ট্রেন হলো তূর্ণা এক্সপ্রেস (রাত ১১:১৫) অথবা চট্টগ্রাম মেইল (রাত ১১:৪৫) .

প্রশ্ন ৪: মহানগর প্রভাতী কখন ছাড়ে?
উত্তর: মহানগর প্রভাতী (৭০৪) ঢাকা থেকে সকাল ০৭:৪৫ মিনিটে ছাড়ে এবং কুমিল্লা পৌঁছায় সকাল ১০:৫১-১১:০১ মিনিটে .

প্রশ্ন ৫: তূর্ণা এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক ছুটি আছে কি?
উত্তর: না, তূর্ণা এক্সপ্রেসের কোনো সাপ্তাহিক ছুটি নেই। এটি প্রতিদিন চলাচল করে .

প্রশ্ন ৬: চট্টলা এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে .

প্রশ্ন ৭: উপকূল এক্সপ্রেসের ছুটির দিন কোনটি?
উত্তর: উপকূল এক্সপ্রেস মঙ্গলবার বন্ধ থাকে .

প্রশ্ন ৮: মহানগর এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
উত্তর: মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) ঢাকা থেকে রাত ০৯:২০ মিনিটে ছাড়ে .

প্রশ্ন ৯: ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার ২০৫-২৫০ টাকা, স্নিগ্ধা ৩৯১-৪৮৩ টাকা, এসি সিট ৪৬৬-৫৭৫ টাকা .

প্রশ্ন ১০: শোভন চেয়ারের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ারের ভাড়া সূত্রভেদে ২০৫ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে .

প্রশ্ন ১১: স্নিগ্ধা ক্লাসের ভাড়া কত?
উত্তর: স্নিগ্ধা ক্লাসের টিকিটের মূল্য ৩৯১ থেকে ৪৮৩ টাকা .

প্রশ্ন ১২: এসি সিটের ভাড়া কত?
উত্তর: এসি সিটের টিকিট ৪৬৬ থেকে ৫৭৫ টাকার মধ্যে .

প্রশ্ন ১৩: এসি বার্থের ভাড়া কত?
উত্তর: এসি বার্থের টিকিট ৭০২ থেকে ৯১৩ টাকা পর্যন্ত হতে পারে .

প্রশ্ন ১৪: ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে কত ঘণ্টা লাগে?
উত্তর: আন্তঃনগর ট্রেনে প্রায় ৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় লাগে .

প্রশ্ন ১৫: ট্রেনের টিকেট অনলাইনে কাটা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কাটা যায়.

প্রশ্ন ১৬: ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে বুকিং দেওয়া যায়?
উত্তর: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়.

প্রশ্ন ১৭: মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত সিট আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, সব আন্তঃনগর ট্রেনে মহিলা সংরক্ষিত বগি থাকে.

প্রশ্ন ১৮: ট্রেনের ভেতরে খাবার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: তূর্ণা এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেনে ক্যাটারিং ও খাবার কেনার ব্যবস্থা আছে .

প্রশ্ন ১৯: ট্রেন মিস করলে টিকিট ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট নিয়মে ট্রেন ছাড়ার আগে টিকিট জমা দিলে কিছু টাকা ফেরত পাওয়া যায়.

প্রশ্ন ২০: ট্রেনের সঠিক সময়সূচী কোথায় পাব?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট railway.gov.bd ও eticket.railway.gov.bd-এ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়.

 

Leave a Comment