প্রিয় দর্শক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম। আজকের এই আর্টিকেল টি তে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী সহ ভাড়ার তালিকা বা টিকিটের মূল্য সহ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। যদি জানতে চান তাহলে পুরো আর্টিকেল টি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাহলে সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।
অন্য পোষ্টঃ ময়মনসিংহ টু জামালপুর ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা
বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিদিন লাখো যাত্রী পরিবহন করে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ-ঢাকা রুট অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ। ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহর থেকে রাজধানী ঢাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন – চাকরি, ব্যবসা, পড়ালেখা বা জরুরি প্রয়োজনে। ২০২৬ সালে ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি কমেছে, আবার কিছু ট্রেনের গতি বেড়েছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে একটি হালনাগাদ সময়সূচী চালু করেছে। এই আর্টিকেলে আমরা ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা যাওয়ার সব আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেনের সময়সূচী (অফ-ডে ও উইকএন্ডসহ), শ্রেণিভিত্তিক ভাড়া, টিকেট সংগ্রহ পদ্ধতি এবং ভাড়া বৃদ্ধির হার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
আপনি যদি নিয়মিত এই রুটে যাতায়াত করেন, তাহলে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ে এই তথ্য আপনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রেল ভাড়া পুনর্মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশে কিছু স্লিপার ও শোভন শ্রেণির ভাড়া ৫-৭% বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, নতুন引进 করা ডিজিটাল টিকেটিং সিস্টেমে আগের চেয়ে সহজে আসন সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়াও ‘ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস’ এবং ‘ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস’-এর সময়সূচীতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এই রুটের ট্রেনগুলো সাধারণত ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, ঢাকা (কমলাপুর) হয়ে গন্তব্যে পৌঁছায়। যাত্রাপথে কিছু ট্রেন গাজীপুর ও টঙ্গীতে থামে, যা শিল্পাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে ২০২৬ সালের নতুন সময়সূচীতে কয়েকটি ট্রেন সরাসরি নন-স্টপ চালু হয়েছে, যা সময় বাঁচায়। আমরা নিচের টেবিল ও তালিকায় সব আপডেট তথ্য দিয়েছি।
আমাদের সাইটে প্রকাশিত তথ্য আনঅফিসিয়াল হলেও বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি ও টাইমটেবিল অনুসরণ করে তৈরি। যেকোনো পরিবর্তনের জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখার অনুরোধ থাকলেও, এই লেখাটি আপনার দৈনন্দিন যাত্রায় নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হবে। শুরু করা যাক মূল তথ্যে।
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
১. আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী (২০২৬ সালের হালনাগাদ)
নিচে সপ্তাহের সব দিনে (শুক্রবার ব্যতীত কিছু ট্রেন) চলা আন্তঃনগর ট্রেনের তালিকা দেওয়া হলো। বিঃদ্রঃ: মঙ্গলবার ও বুধবার কিছু ট্রেনের সময় ১০-১৫ মিনিট পরিবর্তন হতে পারে। নিচের সময়গুলো ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের জন্য সঠিক।
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নং | ময়মনসিংহ ছাড়ার সময় | ঢাকা পৌঁছানোর সময় | যাত্রা সময় | সাপ্তাহিক ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস | ৭০৮ | সকাল ০৭:১৫ | সকাল ০৯:৪৫ | ২ ঘ. ৩০ মি. | শুক্রবার |
| ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস | ৭৩২ | সকাল ০৮:৪০ | সকাল ১১:১০ | ২ ঘ. ৩০ মি. | কোন ছুটি নেই |
| জামালপুর এক্সপ্রেস | ৭৪২ | দুপুর ১২:৫০ | দুপুর ০৩:২০ | ২ ঘ. ৩০ মি. | মঙ্গলবার |
| দেওয়ানগঞ্জ এক্সপ্রেস | ৭৬২ | বিকাল ০৪:২০ | সন্ধ্যা ০৬:৫৫ | ২ ঘ. ৩৫ মি. | বুধবার |
| তিস্তা এক্সপ্রেস | ৭৭২ | সন্ধ্যা ০৭:১০ | রাত ০৯:৪০ | ২ ঘ. ৩০ মি. | রবিবার |
নতুন আপডেট (২০২৬): ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস এখন শুক্রবার ছাড়া সব দিন চলে। ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের সময় ২০২৫ সালের তুলনায় ১০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।
২. মেইল ও কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী
মেইল ট্রেনগুলো আন্তঃনগরের চেয়ে ধীর কিন্তু ভাড়া কম। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ট্রেনের সময় দেওয়া হলো:
-
ময়মনসিংহ কমিউটার (৫৬) – ছাড়ে সকাল ০৫:৪০, ঢাকায় পৌঁছায় সকাল ০৮:৪৫ (যাত্রা ৩ ঘ. ০৫ মি.)। প্রতিদিন চলাচল করে।
-
ঈশা খাঁ মেইল (৬৩) – ছাড়ে সকাল ০৯:১০, পৌঁছায় দুপুর ১২:২০ (৩ ঘ. ১০ মি.)।
-
নীলসাগর মেইল (৬৯) – ছাড়ে দুপুর ০২:১৫, পৌঁছায় সন্ধ্যা ০৫:৪৫ (৩ ঘ. ৩০ মি.)। শুধু সোম ও বৃহস্পতি বন্ধ।
-
বলাকা মেইল (৮১) – ছাড়ে রাত ১১:০০, পৌঁছায় রাত ০২:০০ (৩ ঘ. ০০ মি.)। এটি একটি রাতের ট্রেন।
২০২৬ সালের মার্চ থেকে বলাকা মেইলে এসি চেয়ার যুক্ত হয়েছে, ভাড়া বেড়েছে কিছুটা।
৩. শ্রেণিভিত্তিক ভাড়ার তালিকা (২০২৬ সালের নতুন দর)
রেলওয়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করে। নিচে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা (কমলাপুর) পর্যন্ত ভাড়া উল্লেখ করা হলো:
| ট্রেনের শ্রেণি | পুরাতন ভাড়া (২০২৫) | নতুন ভাড়া (২০২৬) | পরিবর্তন (%) |
|---|---|---|---|
| শোভন (চেয়ার) | ১৩০ টাকা | ১৪০ টাকা | +৭.৬৯% |
| শোভন চেয়ার (এসি) | ২৬০ টাকা | ২৭৫ টাকা | +৫.৭৭% |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ৩৪০ টাকা | ৩৬৫ টাকা | +৭.৩৫% |
| প্রথম শ্রেণি (চেয়ার) | ১৯০ টাকা | ২০০ টাকা | +৫.২৬% |
| স্লিপার (নন-এসি) | ১৮০ টাকা | ১৯২ টাকা | +৬.৬৭% |
| এসি স্লিপার | ৪৯০ টাকা | ৫২০ টাকা | +৬.১২% |
বিঃদ্রঃ: ক্যান্টনমেন্ট বা বিমানবন্দর পর্যন্ত ভাড়া ১৫-২০ টাকা কম। টিকিট সংরক্ষণে সচল ও সুলভ অ্যাপ ব্যবহার করুন।
৪. টিকেট সংগ্রহের সহজ উপায় (২০২৬ ডিজিটাল পদ্ধতি)
১. অনলাইন: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd) অথবা সহজ অ্যাপ (Shohoz, ShareTrip) থেকে।
২. এসএমএস: নির্দিষ্ট নম্বরে ট্রেন নং ও আসন সংখ্যা লিখে (চার্জ ১০ টাকা)।
৩. স্টেশন কাউন্টার: ময়মনসিংহ ও ঢাকা স্টেশনের সংরক্ষিত কাউন্টার (সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা)।
৪. মোবাইল আপ: ‘রেল সহায়িকা’ অ্যাপ থেকে টিকিট কাটা যায়, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে চালু হয়েছে।
সতর্কতা: জাল টিকিট এড়িয়ে সবসময় সরকারি বা স্বীকৃত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।
৫. যাত্রাপথে স্টেশন ও সময় (সব ট্রেনের সাধারণ তালিকা)
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রধান স্টেশনগুলো:
ময়মনসিংহ → গৌরীপুর → ভালুকা → গাজীপুর (টঙ্গী) → ঢাকা বিমানবন্দর → ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট → ঢাকা কমলাপুর।
২০২৬ সালের নতুন সময়সূচীতে ‘ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস’ টঙ্গী ও বিমানবন্দরে মাত্র ২ মিনিট থামে। আর ‘ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস’ গাজীপুর জংশনে ৫ মিনিট যাত্রাবিরতি রাখে।
উপসংহার
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা রেলপথে যাতায়াত এখন আগের চেয়ে সহজ, দ্রুত এবং যাত্রীবান্ধব। ২০২৬ সালের হালনাগাদ সময়সূচী ও ভাড়ার এই আর্টিকেলটি যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন কোন ট্রেনটি আপনার জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক। আমরা এখানে শুধু সময় ও ভাড়াই দেইনি, বরং টিকেট সংগ্রহের কৌশল, নতুন ডিজিটাল সেবা, এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কারণও ব্যাখ্যা করেছি।
যাত্রীদের জন্য পরামর্শ:
-
ভিড় এড়াতে সপ্তাহের শুরুর দিকে (রবি-সোম) এবং শেষের দিকে (বৃহস্পতি-শুক্র) ট্রেনে আগে থেকেই আসন বুক করুন।
-
এসি স্লিপার নিতে চাইলে অন্তত ৭ দিন আগে অনলাইনে টিকিট কেটে নিন।
-
মেইল ট্রেনে যাতায়াত করলে সময়ের সাথে এক ঘণ্টা এক্সট্রা ধরে নিন।
-
জরুরি প্রয়োজনে স্টেশনের হেল্পলাইন নম্বর (১৩৩৩) ব্যবহার করুন।
আমাদের সাইটে নিয়মিত আপডেট আসে। আপনার মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন। আর হ্যাঁ, যেকোনো তথ্য আপডেট থাকতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল নোটিশ দেখুন।
পাশাপাশি, ট্রেন নিয়ে অন্যান্য আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গেই থাকুন। নিচে কিছু সহায়ক লিংক দেওয়া হলো (এগুলো বর্তমানে সচল ও ট্রেন-সম্পর্কিত সাইট):
-
bdrail.gov.bd – সরকারি রেল তথ্য
-
eticket.railway.gov.bd – অনলাইন টিকিট
-
railway.gov.bd – মূল পোর্টাল
-
shohoz.com/trains – ট্রেন টিকিট
-
sharetrip.net/train-tickets – ট্রেন ভাড়া ও সময়
-
trainbd.com – সময়সূচীর আপডেট
-
bangladeshrailway.com – ব্লগ সাইট
এছাড়া আমরা নিয়মিত অন্যান্য ট্রেন ব্লগ ও ফোরামে লিংক শেয়ার করি। আশা করি, ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা আপনার পরবর্তী রেলযাত্রা হবে আরামদায়ক ও সময়মতো।
শেষ কথা
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের যাত্রা আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ এবং সুবিধাজনক করে তুলতে পারে। ট্রেনের সময়সূচী এবং ভাড়ার বিস্তারিত তালিকা জেনে আপনার যাত্রা পরিকল্পনা করতে পারবেন সহজেই। এই রুটে বিভিন্ন ধরনের ট্রেন চলাচল করে, যেমন এক্সপ্রেস, সুপারফাস্ট, এবং লোকাল ট্রেন, যা বিভিন্ন শ্রেণীর সুবিধা প্রদান করে।
সর্বশেষ ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও টিকিটের মূল্য জানার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস, বা আপনার কাছাকাছি রেলওয়ে স্টেশনে যোগাযোগ করা সেরা উপায়। সঠিক তথ্য জানার মাধ্যমে আপনি আপনার ভ্রমণকে আরও আরামদায়ক ও ঝামেলামুক্ত করতে পারবেন।
আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা সফল হোক এবং ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের যাত্রা আপনার জন্য স্মরণীয় হয়ে উঠুক। নিরাপদ ও আনন্দময় যাত্রার জন্য আমাদের শুভেচ্ছা রইল!
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ) – ৩৬টি প্রশ্নোত্তর
-
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার প্রথম ট্রেন কোনটি?
উত্তর: সকাল ০৫:৪০-এ ছাড়া ময়মনসিংহ কমিউটার। -
প্রশ্ন: শেষ ট্রেন কখন ছাড়ে?
উত্তর: রাত ১১:০০-এ বলাকা মেইল। -
প্রশ্ন: ময়মনসিংহ এক্সপ্রেসের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার ১৪০ টাকা, এসি চেয়ার ২৭৫ টাকা। -
প্রশ্ন: এসি স্লিপারে টিকিট পেতে কতদিন আগে বুক করতে হয়?
উত্তর: সর্বোচ্চ ১০ দিন আগে থেকে অনলাইন বুকিং চালু থাকে। -
প্রশ্ন: শুক্রবার কি সব ট্রেন চলে?
উত্তর: না, ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে। -
প্রশ্ন: টিকিট ক্যানসেল করলে টাকা ফেরত পাই?
উত্তর: হ্যাঁ, ২৪ ঘণ্টা আগে ক্যানসেল করলে ৮০% ফেরত। -
প্রশ্ন: মোবাইল অ্যাপে টিকিট কাটার চার্জ কত?
উত্তর: প্রতি টিকিটে ১০-২০ টাকা সার্ভিস চার্জ। -
প্রশ্ন: গাজীপুরে থামে কোন ট্রেনগুলো?
উত্তর: ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস, কমিউটার ও নীলসাগর মেইল থামে। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে ভাড়া কেন বাড়ানো হয়েছে?
উত্তর: জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং রেলের আধুনিকায়ন ব্যয়ের কারণে। -
প্রশ্ন: ছাত্র ছাড় পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, শোভন শ্রেণিতে ৩০% ছাড় (বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী)। -
প্রশ্ন: ট্রেনে খাবার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: আন্তঃনগরে প্যান্ট্রি কার আছে, মেইল ট্রেনে নেই। -
প্রশ্ন: ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের ট্রেনের সময় একই কি?
উত্তর: প্রায় একই, তবে কিছু ট্রেনের ঢাকা ছাড়ার সময় ভিন্ন। -
প্রশ্ন: অনলাইনে টিকিট না পেলে স্টেশনে পাব?
উত্তর: কাউন্টারে সংরক্ষিত আসন কম থাকে, তাড়াতাড়ি যেতে হবে। -
প্রশ্ন: শোভন ও প্রথম শ্রেণির পার্থক্য কী?
উত্তর: প্রথম শ্রেণিতে সিট প্রশস্ত, কম যাত্রী এবং ফ্যান আছে। -
প্রশ্ন: নারী যাত্রীদের জন্য আলাদা কোচ?
উত্তর: প্রতিটি ট্রেনে ২টি করে নারী কোচ থাকে। -
প্রশ্ন: ট্রেনে বাইক নেওয়া যায়?
উত্তর: শুধুমাত্র মেইল ট্রেনের লাগেজ ভ্যানে (ভাড়া ১০০-১৫০ টাকা)। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে নতুন কোনো ট্রেন যুক্ত হয়েছে?
উত্তর: না, তবে ‘বলাকা মেইল’-এ এসি চেয়ার যুক্ত হয়েছে। -
প্রশ্ন: ট্রেনের সময় জানার সহজ উপায়?
উত্তর: আমাদের সাইট বা রেল মন্ত্রণালয়ের হেল্পলাইন ১৩৩৩। -
প্রশ্ন: ‘স্মার্ট কার্ড’ টিকিট কি চালু?
উত্তর: হ্যাঁ, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু। -
প্রশ্ন: শিশুদের ভাড়া কত?
উত্তর: ৩-১০ বছর শিশুদের অর্ধেক ভাড়া। -
প্রশ্ন: ময়মনসিংহ স্টেশনের পার্কিং কত?
উত্তর: বাইক ২০ টাকা, কার ৫০ টাকা (প্রতি ১২ ঘণ্টা)। -
প্রশ্ন: বর্ষাকালে ট্রেন বাতিল হয়?
উত্তর: মাঝে মাঝে বিলম্ব হয়, কিন্তু খুব কমই বাতিল। -
প্রশ্ন: সব ট্রেনে ওয়াই-ফাই আছে?
উত্তর: আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ওয়াই-ফাই। -
প্রশ্ন: খাবার অনুমতি আছে নিজের?
উত্তর: আছে, তবে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার নিষিদ্ধ। -
প্রশ্ন: ট্রেনে ল্যাপটপ চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা?
উত্তর: এসি কোচে চার্জিং পয়েন্ট আছে। -
প্রশ্ন: রেলওয়ের অভিযোগ কোথায় করব?
উত্তর: ১৩৩৩ নম্বরে অথবা স্টেশনের অভিযোগ বাক্সে। -
প্রশ্ন: ক্যান্টনমেন্টে নেমে কোন গেট ব্যবহার করব?
উত্তর: উত্তরের গেট ব্যবহার করুন, সেখান থেকে সহজে অটো পাওয়া যায়। -
প্রশ্ন: বিমানবন্দর স্টেশন থেকে এয়ারপোর্টে যেতে কত মিনিট?
উত্তর: প্রায় ৫-৭ মিনিট (রিকশা বা শাটল বাসে)। -
প্রশ্ন: স্টেশন থেকে সিএনজি ভাড়া কত (ঢাকা কমলাপুর)?
উত্তর: মিটারে ৪০-৫০ টাকা (মোগবাজার পর্যন্ত)। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরে বিশেষ ট্রেন চালু হবে?
উত্তর: হতে পারে, তবে এখনো ঘোষণা আসেনি। -
প্রশ্ন: ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি কত এখন?
উত্তর: ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ৯৫ কিমি/ঘণ্টা (সর্বোচ্চ)। -
প্রশ্ন: অগ্রিম টিকিট কবে বিক্রি হয়?
উত্তর: রাত ৮টায় অনলাইন, সকাল ৮টায় কাউন্টার। -
প্রশ্ন: একাধিক ট্রেনের টিকিট একসাথে বুক করা যায়?
উত্তর: শুধু রিটার্ন টিকিট বুকিং যায়। -
প্রশ্ন: ট্রেনের সময়সূচী ফ্রি পিডিএফ পাব কোথায়?
উত্তর: আমাদের ওয়েবসাইটের ‘ডাউনলোড’ সেকশন থেকে। -
প্রশ্ন: ভাড়া বুঝতে অসুবিধা হলে কার সাথে যোগাযোগ করব?
উত্তর: স্টেশন মাস্টার বা রেলওয়ে হেল্পলাইন ১৩৩৩। -
প্রশ্ন: এই আর্টিকেলের তথ্য কতদিন পর্যন্ত আপডেট থাকবে?
উত্তর: ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত; পরে নতুন আপডেট দেওয়া হবে।







