ময়মনসিংহ ও জামালপুর—বাংলাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরত্বের এই পথে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী যাতায়াত করেন। কর্মব্যস্ততা, পড়াশোনা কিংবা পারিবারিক প্রয়োজনে—যারাই যান না কেন, তাদের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হলো ট্রেন। সড়কপথে ভ্রমণের সময় যানজট ও অনিশ্চিত সময়ের তুলনায় ট্রেন ভ্রমণ মানেই সময়ানুবর্তিতা, আরাম ও নিরাপত্তা।
২০২৬ সালেও ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এই রুটে মোট প্রায় ১১টি ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে, যার মধ্যে রয়েছে দ্রুত ও আরামদায়ক আন্তঃনগর ট্রেন, সাশ্রয়ী কমিউটার ট্রেন এবং রাতের বেলার ট্রেন। যাত্রীরা তাদের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী ট্রেন নির্বাচন করতে পারেন।
এই ছোট রুটে এত বৈচিত্র্যময় ট্রেনের উপস্থিতি এই অঞ্চলের যাত্রীদের জন্য একটি বড় সুবিধা। বিশেষ করে দৈনিক যাতায়াতকারী চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্য সকাল ও বিকালের ট্রেনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে দূরপাল্লার যাত্রীদের জন্য রাতের ট্রেনও রয়েছে।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো—📋 সম্পূর্ণ ট্রেনের সময়সূচী, 💺 শ্রেণি ভেদে বিস্তারিত ভাড়া, 📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ছুটির দিন, 🎫 টিকিট কাটার সহজ উপায় এবং 🚉 ময়মনসিংহ ও জামালপুর স্টেশন সম্পর্কে দরকারি তথ্য। নিচের তথ্যগুলো ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ টু জামালপুর ট্রেনের বিস্তারিত সময়সূচী
ই রুটে আন্তঃনগর, কমিউটার ও মেইল—তিন ধরনের ট্রেন চলাচল করে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য নিচে ট্রেনের ধরন ভেদে আলাদাভাবে সময়সূচী উপস্থাপন করা হলো।
১. আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী (সবচেয়ে আরামদায়ক ও জনপ্রিয়)
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | ছাড়ার সময় (ময়মনসিংহ) | পৌঁছানোর সময় (জামালপুর) | সাপ্তাহিক ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| তিস্তা এক্সপ্রেস | ৭০৭ | সকাল ১০:০৩ | সকাল ১১:১০ | সোমবার |
| জামালপুর এক্সপ্রেস | ৭৯৯ | দুপুর ১২:৩৩ | দুপুর ০১:৪০ | রবিবার |
| অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস | ৭৩৫ | দুপুর ০২:১০ | বিকাল ০৩:১৬ | কোনো ছুটি নেই |
| বিজয় এক্সপ্রেস | ৭৮৫ | বিকাল ০৪:৩০ | সন্ধ্যা ০৬:১০ | মঙ্গলবার |
| যমুনা এক্সপ্রেস | ৭৪৫ | রাত ০৭:৩৫ | রাত ০৯:২২ | কোনো ছুটি নেই |
| ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস | ৭৪৩ | রাত ০৯:১৫ | রাত ১০:৩০ | কোনো ছুটি নেই |
নোট: উপরের সময়সূচী ময়মনসিংহ জংশন স্টেশনের সময় অনুযায়ী।
২. কমিউটার ও মেইল ট্রেনের সময়সূচী (সাশ্রয়ী ও প্রতিদিনের যাত্রীদের জন্য)
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর/ধরন | ছাড়ার সময় (ময়মনসিংহ) | পৌঁছানোর সময় (জামালপুর) | সাপ্তাহিক ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস | ৩৭ | ভোর ০৪:২৭ | ভোর ০৫:৫০ | কোনো ছুটি নেই |
| দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার | ৪৩ | সকাল ০৮:৫৫ | সকাল ১০:১৫ | কোনো ছুটি নেই |
| ভাওয়াল এক্সপ্রেস | ৫৫ | রাত ১২:০১ (মধ্যরাত) | রাত ০১:৩০ | কোনো ছুটি নেই |
| ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস | ৭৫ | দুপুর ০২:৩০ | দুপুর ০৩:৫৫ | কোনো ছুটি নেই |
| জামালপুর কমিউটার | ৫২ | সন্ধ্যা ০৬:৫০ | রাত ০৮:৪০ | কোনো ছুটি নেই |
এই ট্রেনগুলোতে সাধারণ প্রতিদিনই চলাচল করে এবং ভাড়া আন্তঃনগর ট্রেনের তুলনায় কম।
৩. ময়মনসিংহ ও জামালপুর স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ময়মনসিংহ জংশন এই রুটের যাত্রা শুরুর মূল পয়েন্ট। এখান থেকে সবগুলো ট্রেনের নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নম্বর স্টেশনের নোটিশ বোর্ডে দেখে নেওয়া উত্তম। জামালপুর ট্রেনের যাত্রাপথ চট্টগ্রাম থেকে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত দীর্ঘ, তাই সময়মতো প্ল্যাটফর্মে পৌঁছানো জরুরি।
💰 ময়মনসিংহ টু জামালপুর ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
নিচের ভাড়া তালিকাটি ২০২৬ সালের জন্য প্রাসঙ্গিক। দয়া করে মনে রাখবেন যে অনলাইনে টিকিট কাটলে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ লাগতে পারে।
টিকিটের মূল্য তালিকা (ময়মনসিংহ – জামালপুর) :
| আসনের শ্রেণী (ক্লাস) | আনুমানিক ভাড়া (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন (Shovon) | ৫৫ – ৬৫ টাকা |
| শোভন চেয়ার (Shovon Chair) | ৬৫ টাকা |
| প্রথম সিট (First Seat) | ১০৪ টাকা |
| প্রথম বার্থ (First Berth) | ১৩০ টাকা |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ১২৭ – ১৫০ টাকা |
| এসি সিট | ১৫০ টাকা |
| এসি বার্থ | ২১৯ টাকা |
| কমিউটার শোভন | ৪০ টাকা |
| ভাওয়াল এক্সপ্রেস শোভন | ৩০ টাকা |
🎫 টিকিট কাটার নিয়ম ও কৌশল (২০২৬)
টিকিট না পেয়ে ভোগান্তি এড়াতে দয়া করে নির্দিষ্ট সময়গুলো মাথায় রাখুন।
-
অনলাইন বুকিং: ট্রেনের টিকিট পাওয়ার সবচেয়ে সহজ ও নিশ্চিত উপায় অনলাইন বুকিং। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd অথবা Rail Seba মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি টিকিট কাটতে পারবেন।
-
সঠিক সময়: অনলাইন টিকিট খোলার সময় হলো যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮:০০ টায়। বিশেষ করে তিস্তা ও জামালপুর এক্সপ্রেসের টিকিট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
-
কাগজপত্র: টিকিট কাটার সময় যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে রাখুন। ট্রেন ভ্রমণের সময় ই-টিকিটের প্রিন্টেড কপি বা মোবাইলের স্ক্রিনশট সাথে রাখা আবশ্যক।
-
অগ্রিম টিকিট: আপনি আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে (তিস্তা, জামালপুর, অগ্নিবীণা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র) আগাম টিকিট কাটতে পারবেন। তবে স্থানীয় কমিউটার ট্রেনগুলোতে (যেমন দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার) সাধারণত শুধু স্টেশন থেকে টিকিট পাওয়া যায়।
💡 যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস
-
টিকিটে কোড বোঝা: মনে রাখবেন, ট্রেনের টিকিটে প্রায়ই সংক্ষিপ্ত কোড ব্যবহার করা হয়। যেমন:
S_CHAIRমানে শোভন চেয়ার,F_SEATমানে প্রথম সিট,SNIGDHAমানে স্নিগ্ধা এসি চেয়ার,AC_Bমানে এসি বার্থ। -
ট্রেন ভর্তি থাকা: সপ্তাহান্তে ও ছুটির দিনে এই রুটের ট্রেনগুলো প্রচণ্ড ভিড় হয়। আগে থেকেই টিকিট বুকিং দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
-
ভিন্ন গন্তব্য: আপনি যদি জামালপুর জেলার তরুয়া, দেওয়ানগঞ্জ বা মেলান্দহে যেতে চান, তবে তিস্তা এক্সপ্রেস ও অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস পিয়ারপুর ও নান্দিনা হয়ে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত যায়। জামালপুর স্টেশন জেলার একমাত্র স্টেশন নয়।
-
ট্রেনের রেক ভাগাভাগি: ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ও যমুনা এক্সপ্রেস দূরপাল্লার ট্রেন। রাতে ভ্রমণ করলে বার্থ নেওয়ার চেষ্টা করবেন, তাহলে ঘুমিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।
উপসংহার
ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর ট্রেন যাত্রা অত্যন্ত সাশ্রয়ী, আরামদায়ক ও সময়োপযোগী একটি ভ্রমণ মাধ্যম। ২০২৬ সালেও এই রুটে ১১টির বেশি ট্রেন চলাচল করছে, যা যাত্রীদের জন্য যথেষ্ট বিকল্প নিশ্চিত করেছে।
আপনার জন্য সেরা ট্রেন নির্বাচন:
| আপনার প্রয়োজন | সুপারিশকৃত ট্রেন | কারণ |
|---|---|---|
| সকালে যেতে চাইলে | তিস্তা এক্সপ্রেস (সকাল ১০:০৩) | দ্রুত ও আরামদায়ক |
| দুপুরে যেতে চাইলে | জামালপুর এক্সপ্রেস (দুপুর ১২:৩৩) | নির্ভরযোগ্য ও সময়ানুবর্তী |
| বিকালে যেতে চাইলে | অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (দুপুর ০২:১০) | বিরতিহীন সেবা |
| সন্ধ্যায় যেতে চাইলে | যমুনা এক্সপ্রেস (রাত ০৭:৩৫) | রাতের যাত্রার জন্য উপযোগী |
| সাশ্রয়ী ভ্রমণে | দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার (সকাল ০৮:৫৫) | ভাড়া মাত্র ৪০-৬৫ টাকা |
সড়কপথে ভ্রমণের সময় যানজট ও অনিশ্চিত যাত্রাছিলের তুলনায়, ট্রেনে নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রা শেষ করা যায়। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রীদের জন্য সকাল ও বিকালের ট্রেনগুলো দারুণ উপযোগী।
তবে ভ্রমণের আগে ট্রেনের ছুটির দিনগুলো জেনে নেওয়া জরুরি:
-
তিস্তা এক্সপ্রেস: সোমবার বন্ধ
-
বিজয় এক্সপ্রেস: মঙ্গলবার বন্ধ
-
জামালপুর এক্সপ্রেস: রবিবার বন্ধ
টিকিট আগে থেকেই অনলাইনে বুকিং দেওয়া ভালো। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করলে ঝামেলা কমে। অনলাইনে টিকিট কাটতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন এবং অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যোগ হয়।
২০২৬ সালে আপনার ময়মনসিংহ-জামালপুর ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে সঠিক সময়সূচী মেনে টিকিট কেটে নিন এবং নিশ্চিন্তে যাত্রা শুরু করুন। আপনার যাত্রা শুভ হোক!
❓ Frequently Asked Questions (FAQ) – ৩০টি প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর যেতে কত ঘণ্টা লাগে?
উত্তর: আন্তঃনগর ট্রেনে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগে। দ্রুততম ট্রেন তিস্তা এক্সপ্রেস মাত্র ১ ঘণ্টা ৭ মিনিটে পৌঁছায়।
প্রশ্ন ২: ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ারে ৬৫ টাকা, প্রথম সিটে ১০৪ টাকা, স্নিগ্ধায় ১২৭ টাকা, এসি বার্থে ২১৯ টাকা।
প্রশ্ন ৩: ময়মনসিংহ থেকে জামালপুরের প্রথম ট্রেন কোনটি?
উত্তর: ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস (৩৭) ভোর ০৪:২৭ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ৪: ময়মনসিংহ থেকে জামালপুরের শেষ ট্রেন কোনটি?
উত্তর: ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস (৭৪৩) রাত ০৯:১৫ মিনিটে ছাড়ে。
প্রশ্ন ৫: তিস্তা এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: তিস্তা এক্সপ্রেস সোমবার বন্ধ থাকে।
প্রশ্ন ৬: জামালপুর এক্সপ্রেস কখন চলে?
উত্তর: জামালপুর এক্সপ্রেস (৭৯৯) ময়মনসিংহ থেকে দুপুর ১২:৩৩ মিনিটে ছেড়ে জামালপুর পৌঁছায় দুপুর ০১:৪০ মিনিটে।
প্রশ্ন ৭: জামালপুর এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: জামালপুর এক্সপ্রেস রবিবার বন্ধ থাকে।
প্রশ্ন ৮: বিজয় এক্সপ্রেসের ছুটির দিন কোনটি?
উত্তর: বিজয় এক্সপ্রেস (৭৮৫) মঙ্গলবার বন্ধ থাকে।
প্রশ্ন ৯: দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার কখন ছাড়ে?
উত্তর: দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার (৪৩) ময়মনসিংহ থেকে সকাল ০৮:৫৫ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ১০: ভাওয়াল এক্সপ্রেস কখন চলে?
উত্তর: ভাওয়াল এক্সপ্রেস (৫৫) রাত ১২:০১ মিনিটে (মধ্যরাত) ময়মনসিংহ থেকে ছাড়ে।
প্রশ্ন ১১: অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসের ছুটি আছে কি?
উত্তর: না, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসের (৭৩৫) কোনো সাপ্তাহিক ছুতি নেই। প্রতিদিন চলে।
প্রশ্ন ১২: যমুনা এক্সপ্রেসের ছুটি আছে কি?
উত্তর: না, যমুনা এক্সপ্রেসের (৭৪৫) কোনো সাপ্তাহিক ছুতি নেই। প্রতিদিন চলে।
প্রশ্ন ১৩: ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের ছুটি আছে কি?
উত্তর: না, ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের (৭৪৩) কোনো সাপ্তাহিক ছুতি নেই। প্রতিদিন চলে。
প্রশ্ন ১৪: ময়মনসিংহ এক্সপ্রেসের ছুটি আছে কি?
উত্তর: না, ময়মনসিংহ এক্সপ্রেসের (৩৭) কোনো ছুতি নেই। প্রতিদিন চলে。
প্রশ্ন ১৫: ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
উত্তর: ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস (৭৫) ময়মনসিংহ থেকে দুপুর ০২:৩০ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ১৬: জামালপুর কমিউটার কখন ছাড়ে?
উত্তর: জামালপুর কমিউটার (৫২) ময়মনসিংহ থেকে সন্ধ্যা ০৬:৫০ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ১৭: অনলাইনে টিকিট কাটতে কী কী লাগে?
উত্তর: জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ও একটি বৈধ মোবাইল নম্বর প্রয়োজন।
প্রশ্ন ১৮: টিকিট কাটার পর অতিরিক্ত চার্জ কত?
উত্তর: অনলাইন টিকিট বুকিং করলে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যোগ হয়。
প্রশ্ন ১৯: এসি বার্থের ভাড়া কত?
উত্তর: এসি বার্থের টিকিট ২১৯ টাকা。
প্রশ্ন ২০: স্নিগ্ধা ক্লাসের ভাড়া কত?
উত্তর: স্নিগ্ধা ক্লাসের টিকিট ১২৭ টাকা।
প্রশ্ন ২১: শোভন চেয়ারের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ারের ভাড়া সাধারণত ৬৫ টাকা।
প্রশ্ন ২২: কমিউটার ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: কমিউটার ট্রেনে শোভন শ্রেণির ভাড়া ৪০ টাকা。
প্রশ্ন ২৩: ভাওয়াল এক্সপ্রেসের ভাড়া কত?
উত্তর: ভাওয়াল এক্সপ্রেসের শোভন শ্রেণির ভাড়া মাত্র ৩০ টাকা, এটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী ট্রেন।
প্রশ্ন ২৪: ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে বুকিং দেওয়া যায়?
উত্তর: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়।
প্রশ্ন ২৫: টিকিট কাটার সেরা সময় কোনটি?
উত্তর: সকাল ৮:০০ টায় অনলাইন বুকিং খোলা হয়। তাই ঠিক ৮টায় বুকিং দেওয়ার চেষ্টা করুন。
প্রশ্ন ২৬: ট্রেনের টিকিটের পিডিএফ কোথায় পাব?
উত্তর: টিকিট কাটার পর eticket.railway.gov.bd থেকে ডাউনলোড করতে পারেন অথবা ই-মেইলেও চলে আসে。
প্রশ্ন ২৭: ময়মনসিংহ জংশনের প্ল্যাটফর্ম নম্বর কোথায় দেখব?
উত্তর: স্টেশনের নোটিশ বোর্ড ও ইলেকট্রনিক ডিসপ্লেতে প্ল্যাটফর্ম নম্বর দেখানো থাকে।
প্রশ্ন ২৮: জামালপুরে পৌঁছে স্থানীয় পরিবহন পাবো কি?
উত্তর: জামালপুর রেলস্টেশনের বাইরে সিএনজি ও রিকশা সহজলভ্য।
প্রশ্ন ২৯: ট্রেনের সঠিক সময়সূচী কোথায় পাব?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৩০: ঈদের সময় টিকিট পাওয়ার উপায় কী?
উত্তর: ঈদের অগ্রিম টিকিট যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮টায় অনলাইনে বুকিং দিতে হয়। দ্রুত শেষ হয়ে যায় বলে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকুন。







