পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ – ঢাকা টু কক্সবাজার
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজারে যাতায়াতের জন্য পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি একটি চমৎকার ও আধুনিক বাহন। ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি এই ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে এবং দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক মাধ্যম হিসেবে পরিচিত । এটি ঢাকা-কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেসের পরে দ্বিতীয় আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে যাত্রা শুরু করে ।
পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটির বিশেষত্ব হলো এটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন। ট্রেনটি কোরিয়া থেকে আমদানি করা নতুন কোচ দিয়ে তৈরি, যার মোট আসন সংখ্যা ৭৮৫টি । ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৪৭২ কিলোমিটার, যা ট্রেনটি অতিক্রম করতে সময় নেয় মাত্র ৮ ঘণ্টা ৫০ মিনিট ।
২০২৬ সালেও এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা অপরিবর্তিত রয়েছে। যারা পরিবার-পরিজন নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে যান বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যাতায়াত করেন, তাদের কাছে পর্যটক এক্সপ্রেস একটি বিশ্বস্ত নাম। সময়ানুবর্তিতা, আরামদায়ক আসন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কোচ—এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই একে যাত্রীদের প্রথম পছন্দ করে তুলেছে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—পর্যটক এক্সপ্রেস সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। রবিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটির দিন । রবিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিনই এটি নিয়মিত সেবা দিয়ে থাকে।
ট্রেনটি ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে শুধুমাত্র দুটি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়—ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন । এই দুই স্টেশন ছাড়া বাকি সময় ট্রেনটি বিরতিহীনভাবে চলাচল করে। এতে করে যাত্রীদের সময় সাশ্রয় হয় এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো পর্যটক এক্সপ্রেসের সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা, ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময়, শ্রেণিভেদে ভাড়া, টিকিট কাটার নিয়ম এবং যাত্রার আগে আপনার যেসব প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। নিচের তথ্যগুলো ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।
পর্যটক এক্সপ্রেসের বিস্তারিত সময়সূচী ও ভাড়া
১. ট্রেন সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য
| বৈশিষ্ট্য | তথ্য |
|---|---|
| ট্রেনের নাম | পর্যটক এক্সপ্রেস (Parjotak Express) |
| ট্রেন নম্বর (ঢাকা→কক্সবাজার) | ৮১৬ |
| ট্রেন নম্বর (কক্সবাজার→ঢাকা) | ৮১৫ |
| রুট | ঢাকা (কমলাপুর) ↔ কক্সবাজার |
| মোট দূরত্ব | প্রায় ৪৭২ কিলোমিটার |
| মোট ভ্রমণ সময় | প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট |
| ট্রেনের ধরন | আন্তঃনগর (বিরতিহীন) |
| সর্বপ্রথম চালু | ১০ জানুয়ারি ২০২৪ |
| সাপ্তাহিক ছুটির দিন | রবিবার |
| মোট কোচ সংখ্যা | ১৯টি |
| মোট আসন সংখ্যা | ৮৮৪টি |
২. ঢাকা (কমলাপুর) থেকে কক্সবাজার – সময়সূচী ও স্টেশন তালিকা (ট্রেন নং ৮১৬)
পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৬) ঢাকা কমলাপুর থেকে সকাল ৬:১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে এবং বিকাল ৩:০০ টায় কক্সবাজার পৌঁছায় ।
সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা (ঢাকা→কক্সবাজার)
| ক্রম | স্টেশনের নাম | প্রবেশের সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|---|
| ১ | ঢাকা (কমলাপুর) | – | সকাল ০৬:১৫ |
| ২ | ঢাকা বিমানবন্দর | সকাল ০৬:৩৮ | সকাল ০৬:৪৩ |
| ৩ | চট্টগ্রাম | সকাল ১১:২০ | সকাল ১১:৪০ |
| ৪ | কক্সবাজার | বিকাল ০৩:০০ | – |
বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশন ছাড়া ট্রেনটি কোথাও থামে না । চট্টগ্রাম স্টেশনে এটি মাত্র ২০ মিনিট বিরতি নেয়।
৩. কক্সবাজার থেকে ঢাকা – সময়সূচী ও স্টেশন তালিকা (ট্রেন নং ৮১৫)
ফেরার পথে ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে রাত ৮:০০ টায় ছাড়ে এবং ভোর ৪:৩০ মিনিটে ঢাকা কমলাপুর পৌঁছায় ।
সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা (কক্সবাজার→ঢাকা)
| ক্রম | স্টেশনের নাম | প্রবেশের সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|---|
| ১ | কক্সবাজার | – | রাত ০৮:০০ |
| ২ | চট্টগ্রাম | রাত ১০:৫০ | রাত ১১:১৫ |
| ৩ | ঢাকা বিমানবন্দর | রাত ০৩:৫০ | রাত ০৩:৫৩ |
| ৪ | ঢাকা (কমলাপুর) | ভোর ০৪:৩০ | – |
৪. চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার – সময়সূচী (যারা চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা করবেন)
চট্টগ্রামের যাত্রীরাও পর্যটক এক্সপ্রেস ব্যবহার করে কক্সবাজার যেতে পারেন:
| রুট | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় |
|---|---|---|
| চট্টগ্রাম → কক্সবাজার | সকাল ১১:৪০ | বিকাল ০৩:০০ |
| কক্সবাজার → চট্টগ্রাম | রাত ০৮:০০ | রাত ১১:৫০ |
৫. পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিটের ভাড়া ২০২৬
পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিটের মূল্য আসন বিভাগ অনুযায়ী নির্ধারিত। নিচে ২০২৬ সালের ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো :
ক. ঢাকা থেকে কক্সবাজার (ট্রেন নং ৮১৬) – ভাড়া তালিকা
| আসনের বিভাগ | ভাড়া (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৬৯৫ – ৭৫৪ টাকা |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ১,৩২৫ – ১,৪৪৩ টাকা |
| এসি সিট | ১,৫৯০ – ১,৭২৮ টাকা |
| এসি বার্থ | ২,৩৮০ – ২,৬৪৪ টাকা |
খ. চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার – ভাড়া তালিকা
| আসনের বিভাগ | ভাড়া (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ২৫০ – ২৭০ টাকা |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ৪৭০ – ৫০১ টাকা |
| এসি সিট | ৫৬৫ – ৬০২ টাকা |
| এসি বার্থ | ৮৪৫ – ৯৪৯ টাকা |
বিঃদ্রঃ: অনলাইনে টিকিট বুকিং করলে উপরের ভাড়ার সাথে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে। এছাড়া এসি বার্থ ও এসি সিটের টিকিটে ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হয় ।
৬. পর্যটক এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক ছুটি
পর্যটক এক্সপ্রেস প্রতি রবিবার বন্ধ থাকে । এর মানে হলো:
-
রবিবার ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী এই ট্রেনটি চলাচল করে না
-
রবিবার কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী এই ট্রেনটিও চলাচল করে না
সতর্কতা: আপনি যদি রবিবার যাত্রা করার পরিকল্পনা করেন, তাহলে পর্যটক এক্সপ্রেস পাবেন না। বিকল্প হিসেবে কক্সবাজার এক্সপ্রেস বেছে নিতে পারেন, যা রবিবার চলে ।
৭. পর্যটক এক্সপ্রেসের বিশেষ সুবিধাসমূহ
পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাত্রীদের জন্য নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করে :
| সুবিধা | বিবরণ |
|---|---|
| শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত | সম্পূর্ণ ট্রেনটি এসি সুবিধাসম্পন্ন |
| আসন বিন্যাস | আরামদায়ক হেলানো আসন |
| খাবার সুবিধা | অনবোর্ড ক্যাটারিং সার্ভিস |
| পর্যবেক্ষণ সুবিধা | বড় জানালা দিয়ে দৃশ্য উপভোগ |
| মালপত্রের স্থান | পর্যাপ্ত লাগেজ রাখার জায়গা |
| বিনোদন সুবিধা | নিরবচ্ছিন্ন যাত্রার অভিজ্ঞতা |
৮. ঢাকা-কক্সবাজার রুটের অন্যান্য ট্রেনের সাথে তুলনা
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে পর্যটক এক্সপ্রেস ছাড়াও আরও কয়েকটি ট্রেন চলাচল করে :
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | ঢাকা ছাড়ে | কক্সবাজার পৌঁছায় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| পর্যটক এক্সপ্রেস | ৮১৬ | সকাল ০৬:১৫ | বিকাল ০৩:০০ | রবিবার |
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস | ৮১৪ | রাত ১০:৩০ | সকাল ০৭:২০ | সোমবার |
| তূর্ণা এক্সপ্রেস | ৭৪২ | রাত ১১:১৫ | সকাল ০৮:০০ | নেই |
| মহানগর প্রভাতী | ৭০৪ | সকাল ০৭:৪৫ | সকাল ০৮:৩০ | নেই |
পর্যটক এক্সপ্রেস দিনের বেলায় ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য সেরা বাছাই। অন্যদিকে কক্সবাজার এক্সপ্রেস রাতের ট্রেন হিসেবে কাজ করে।
ভাড়া সংক্ষিপ্ত সারণী (২০২৬)
ঢাকা ↔ কক্সবাজার
| আসনের শ্রেণী | ভাড়া (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৬৯৫ |
| স্নিগ্ধা | ১,৩২৫ |
| এসি সিট | ১,৫৯০ |
| এসি বার্থ | ২,৩৮০ |
চট্টগ্রাম ↔ কক্সবাজার
| আসনের শ্রেণী | ভাড়া (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ২৫০ |
| স্নিগ্ধা | ৪৭০ |
| এসি সিট | ৫৬৫ |
| এসি বার্থ | ৮৪৫ |
উপসংহার
পর্যটক এক্সপ্রেস ঢাকা-কক্সবাজার রুটের একটি নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক আন্তঃনগর ট্রেন। ২০২৬ সালেও ট্রেনটি তার নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে রবিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন চলাচল করছে।
পর্যটক এক্সপ্রেসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
✅ দিনের বেলার যাত্রা: সকাল ৬:১৫-এ ছেড়ে বিকাল ৩:০০-এ পৌঁছায়, ফলে দিনের আলোয় ভ্রমণ করা যায়
✅ দ্রুত যাত্রা: ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছাতে মাত্র ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে
✅ আধুনিক সুবিধা: কোরিয়া থেকে আমদানি করা নতুন কোচ, সম্পূর্ণ এসি
✅ আরামদায়ক আসন: শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা, এসি সিট ও এসি বার্থ—সব ধরনের আসন সুবিধা
✅ বিরতিহীন সেবা: শুধুমাত্র বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে থামে
ট্রেনটির ভাড়া অত্যন্ত যৌক্তিক। শোভন চেয়ারে ৬৯৫ টাকা থেকে শুরু করে এসি বার্থে ২,৩৮০ টাকা পর্যন্ত—যে কেউ নিজের বাজেট মতো আসন বেছে নিতে পারেন ।
যাত্রার আগে একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন—রবিবার পর্যটক এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে । রবিবার ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে কক্সবাজার এক্সপ্রেস বেছে নিতে পারেন, যা সোমবার বন্ধ থাকে ।
টিকিট আগে থেকেই অনলাইনে বুকিং দেওয়া ভালো। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করলে ঝামেলা কমে। টিকিট কাটার সময় অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ ও এসি বার্থের জন্য ৫০ টাকা বেডিং চার্জ প্রযোজ্য হবে ।
২০২৬ সালে আপনার কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে পর্যটক এক্সপ্রেস হতে পারে সেরা বাছাই। সঠিক সময়সূচী মেনে টিকিট কেটে নিন এবং নিশ্চিন্তে যাত্রা শুরু করুন। আপনার যাত্রা শুভ হোক!
পর্যটক এক্সপ্রেস ভ্রমণ টিপস
-
টিকিট আগে বুকিং করুন: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়। সকাল ৮টায় টিকিট খোলা হয়
-
সঠিক দিন বেছে নিন: রবিবার যাত্রা করলে এই ট্রেন পাবেন না
-
বিমানবন্দর স্টেশন ব্যবহার করুন: আকাশপথে ভ্রমণ শেষে বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে পারেন (ছাড়ে সকাল ৬:৪৩-এ)
-
চট্টগ্রামে বিরতি: চট্টগ্রাম স্টেশনে ট্রেনটি ২০ মিনিট বিরতি নেয়
-
প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে রাখুন: দীর্ঘ পথের যাত্রায় খাবার ও পানি সাথে রাখা ভালো
-
স্টেশনে আগে পৌঁছান: ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছে যান।
❓ Frequently Asked Questions (FAQ) – ৩০টি প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: পর্যটক এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৬) ঢাকা কমলাপুর থেকে সকাল ০৬:১৫ মিনিটে ছাড়ে 。
প্রশ্ন ২: পর্যটক এক্সপ্রেস কক্সবাজার পৌঁছায় কখন?
উত্তর: ট্রেনটি কক্সবাজার পৌঁছায় বিকাল ০৩:০০ টায় ।
প্রশ্ন ৩: পর্যটক এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস রবিবার বন্ধ থাকে ।
প্রশ্ন ৪: কক্সবাজার থেকে পর্যটক এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
উত্তর: কক্সবাজার থেকে ট্রেনটি (৮১৫) ছাড়ে রাত ০৮:০০ টায় 。
প্রশ্ন ৫: কক্সবাজার থেকে ঢাকা পৌঁছায় কখন?
উত্তর: ভোর ০৪:৩০ মিনিটে ঢাকা পৌঁছায় ।
প্রশ্ন ৬: পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিটের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার ৬৯৫ টাকা, স্নিগ্ধা ১,৩২৫ টাকা, এসি সিট ১,৫৯০ টাকা, এসি বার্থ ২,৩৮০ টাকা ।
প্রশ্ন ৭: ট্রেনটি কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: ট্রেনটি ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে থামে ।
প্রশ্ন ৮: পর্যটক এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
উত্তর: ঢাকা→কক্সবাজার ৮১৬ এবং কক্সবাজার→ঢাকা ৮১৫ ।
প্রশ্ন ৯: পর্যটক এক্সপ্রেস কবে থেকে চালু হয়েছে?
উত্তর: ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে ।
প্রশ্ন ১০: ট্রেনটিতে এসি বার্থ সুবিধা আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনটিতে এসি বার্থ, এসি সিট ও স্নিগ্ধা ক্লাসে এসি সুবিধা আছে 。
প্রশ্ন ১১: অনলাইনে টিকিট কাটা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কাটা যায়।
প্রশ্ন ১২: চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে কত ভাড়া?
উত্তর: শোভন চেয়ার ২৫০ টাকা, স্নিগ্ধা ৪৭০ টাকা, এসি সিট ৫৬৫ টাকা ।
প্রশ্ন ১৩: ট্রেনের ভেতরে খাবার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনটিতে ক্যাটারিং সুবিধা আছে ।
প্রশ্ন ১৪: পর্যটক এক্সপ্রেস সপ্তাহে কত দিন চলে?
উত্তর: সপ্তাহে ৬ দিন চলে (রবিবার বন্ধ) 。
প্রশ্ন ১৫: বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেন কখন পৌঁছায়?
উত্তর: ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনটি বিমানবন্দরে পৌঁছায় সকাল ০৬:৩৮ মিনিটে ।
প্রশ্ন ১৬: চট্টগ্রাম স্টেশনে ট্রেন কখন পৌঁছায়?
উত্তর: সকাল ১১:২০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছে ও ১১:৪০ মিনিটে ছাড়ে ।
প্রশ্ন ১৭: ট্রেনটির মোট আসন সংখ্যা কত?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেসে মোট ৮৮৪টি আসন ও ১৯টি কোচ রয়েছে ।
প্রশ্ন ১৮: টিকিট কাটতে সার্ভিস চার্জ কত?
উত্তর: অনলাইনে টিকিট বুকিং করলে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয় ।
প্রশ্ন ১৯: এসি বার্থে বেডিং চার্জ কত?
উত্তর: এসি বার্থ ও এসি সিটের টিকিটে ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হয় ।
প্রশ্ন ২০: পর্যটক এক্সপ্রেস বনাম কক্সবাজার এক্সপ্রেস কোনটি ভালো?
উত্তর: দুই ট্রেনেই ভালো সুবিধা আছে। পর্যটক এক্সপ্রেস দিনে ছাড়ে (সকাল ৬:১৫), কক্সবাজার এক্সপ্রেস রাতে ছাড়ে (রাত ১০:৩০)। সময় অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।
প্রশ্ন ২১: মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত সিট আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনে মহিলা সংরক্ষিত বগি থাকে।
প্রশ্ন ২২: শিশুদের টিকিটের হার কত?
উত্তর: ৩ বছরের কম শিশুদের বিনামূল্যে, ৩-১২ বছর বয়সীদের সাধারণ ভাড়ার অর্ধেক।
প্রশ্ন ২৩: ট্রেন মিস করলে টিকিট ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট নিয়মে ট্রেন ছাড়ার আগে টিকিট জমা দিলে কিছু টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ২৪: বর্ষাকালে ট্রেন চলে?
উত্তর: স্বাভাবিক অবস্থায় চলে, তবে ভারী বৃষ্টিতে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
প্রশ্ন ২৫: ট্রেনের গতিবেগ কত?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৯৫ কিমি/ঘন্টা ।
প্রশ্ন ২৬: ট্রেনে ওয়াইফাই সুবিধা আছে?
উত্তর: ট্রেনটিতে পর্যবেক্ষণ ও বিনোদন সুবিধা আছে ।
প্রশ্ন ২৭: কক্সবাজার স্টেশন থেকে সৈকত যেতে কত সময় লাগে?
উত্তর: কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন সৈকত থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে। সিএনজি বা রিকশায় ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে।
প্রশ্ন ২৮: ২০২৬ সালে ভাড়া কি পরিবর্তন হয়েছে?
উত্তর: ২০২৬ সালের ভাড়া পূর্বের মতোই রয়েছে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চেক করুন।
প্রশ্ন ২৯: ট্রেনের সঠিক সময়সূচী কোথায় পাব?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট railway.gov.bd ও মোবাইল অ্যাপে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৩০: পর্যটক এক্সপ্রেসে কীভাবে টিকিট কাটব?
উত্তর: eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে সহজেই টিকিট কাটতে পারেন।






