ঢাকা টু সিলেট পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটের পথে যাত্রী বহনের অন্যতম জনপ্রিয় ও দ্রুতগতির বাহন পারাবত এক্সপ্রেস। বাংলাদেশ রেলওয়ের এই আন্তঃনগর ট্রেনটি রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকালে ছেড়ে দুপুরের মধ্যেই যাত্রীদের পৌঁছে দেয় চা-পাহাড়ের রাজধানী সিলেটে।
২০২৬ সালেও এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা অপরিবর্তিত রয়েছে। যারা অফিসের কাজে কিংবা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে সিলেট যান, তাদের কাছে পারাবত এক্সপ্রেস একটি বিশ্বস্ত নাম। সময়ানুবর্তিতা, আরামদায়ক আসন ও তুলনামূলক কম ভ্রমণ সময়—এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই একে সকালের যাত্রীদের প্রথম পছন্দ করে তুলেছে।
ট্রেনটির পুরো যাত্রাপথের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিলোমিটার, যা অতিক্রম করতে সময় লাগে মাত্র ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এই স্বল্প সময়ের কারণেই এটি এই রুটের সবচেয়ে দ্রুতগতির ট্রেন হিসেবে পরিচিত। পারাবত এক্সপ্রেস যাত্রাপথে মোট ১০টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। বিমানবন্দর, ভৈরব বাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়া তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—পারাবত এক্সপ্রেস সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। সোমবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মঙ্গলবার থেকে রবিবার পর্যন্ত প্রতিদিনই এটি নিয়মিত সেবা দিয়ে থাকে। তবে কিছু সূত্রে ট্রেনটির ছুটির দিন উল্লেখ করা হয়েছে মঙ্গলবার হিসেবে। এই বিভ্রান্তি দূর করতে আমরা সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুসরণ করে সোমবারকে ছুটির দিন ধরে নিয়েছি। তবে ভ্রমণের আগে একবার বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সাইট চেক করে নেওয়া নিরাপদ।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো পারাবত এক্সপ্রেসের সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা, ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময়, শ্রেণিভেদে ভাড়া, টিকিট কাটার নিয়ম এবং যাত্রার আগে আপনার যেসব প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। নিচের তথ্যগুলো ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। তাহলে শুরু করা যাক।
পারাবত এক্সপ্রেসের বিস্তারিত সময়সূচী ও ভাড়া
১. পারাবত এক্সপ্রেস সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য
| বৈশিষ্ট্য | তথ্য |
|---|---|
| ট্রেনের নাম | পারাবত এক্সপ্রেস (Parabat Express) |
| ট্রেন নম্বর (ঢাকা→সিলেট) | ৭০৯ |
| ট্রেন নম্বর (সিলেট→ঢাকা) | ৭১০ |
| রুট | কমলাপুর, ঢাকা ↔ সিলেট |
| যাত্রা শুরুর সময় (ঢাকা থেকে) | সকাল ০৬:৩০ টা |
| সিলেট পৌঁছানোর সময় | দুপুর ০১:০০ টা |
| মোট ভ্রমণ সময় | ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট |
| সাপ্তাহিক ছুটির দিন | সোমবার (বিঃদ্রঃ: কিছু সূত্রে মঙ্গলবার বলা হয়েছে) |
| প্রথম চালু | ৫ ডিসেম্বর |
২. ঢাকা থেকে সিলেট (ট্রেন নং ৭০৯) – সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা ও সময়সূচী
পারাবত এক্সপ্রেস সকাল ০৬টায় কমলাপুর থেকে যাত্রা শুরু করে এবং যাত্রাপথে নিচের স্টেশনগুলোতে থামে:
| ক্রম | স্টেশনের নাম | প্রবেশের সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|---|
| ১ | ঢাকা (কমলাপুর) | – | সকাল ০৬:৩০ |
| ২ | বিমান বন্দর | সকাল ০৬:৫৩ | সকাল ০৬:৫৮ |
| ৩ | ভৈরব বাজার | সকাল ০৮:০৩ | সকাল ০৮:০৬ |
| ৪ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | সকাল ০৮:২৬ | সকাল ০৮:২৯ |
| ৫ | আজমপুর | সকাল ০৮:৫০ | সকাল ০৮:৫২ |
| ৬ | নয়াপাড়া | সকাল ০৯:৩০ | সকাল ০৯:৩২ |
| ৭ | শায়েস্তাগঞ্জ | সকাল ০৯:৫২ | সকাল ০৯:৫৫ |
| ৮ | শ্রীমঙ্গল | সকাল ১০:৩২ | সকাল ১০:৩৫ |
| ৯ | ভানুগাছ | সকাল ১০:৫৪ | সকাল ১০:৫৬ |
| ১০ | কুলাউড়া | সকাল ১১:২৫ | সকাল ১১:২৮ |
| ১১ | মাইজগাঁও | সকাল ১১:৫৫ | সকাল ১১:৫৭ |
| ১২ | সিলেট | দুপুর ০১:০০ | – |
পারাবত এক্সপ্রেসের যাত্রাপথের মাঝে নয়াপাড়া স্টেশনে এটি সকাল ৯:৩২ মিনিটে পৌঁছে। শ্রীমঙ্গলে পৌঁছায় সকাল ১০:৩২-এ, যা সিলেটের চা বাগান দেখতে আগ্রহী পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন।
৩. সিলেট থেকে ঢাকা (ট্রেন নং ৭১০) – ফেরার সময়সূচী
সিলেট থেকে ঢাকা ফেরার জন্যও পারাবত এক্সপ্রেস একটি চমৎকার বিকল্প। এটি বিকালে সিলেট ছেড়ে রাতে ঢাকায় পৌঁছে:
| ক্রম | স্টেশনের নাম | প্রবেশের সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|---|
| ১ | সিলেট | – | বিকাল ০৪:০০ |
| ২ | মাইজগাঁও | বিকাল ০৪:৩৯ | বিকাল ০৪:৪১ |
| ৩ | কুলাউড়া | বিকাল ০৫:০৬ | বিকাল ০৫:০৯ |
| ৪ | ভানুগাছ | বিকাল ০৫:৩৯ | বিকাল ০৫:৪১ |
| ৫ | শ্রীমঙ্গল | বিকাল ০৫:৫৯ | সন্ধ্যা ০৬:০২ |
| ৬ | শায়েস্তাগঞ্জ | সন্ধ্যা ০৬:৪৬ | সন্ধ্যা ০৬:৪৯ |
| ৭ | নয়াপাড়া | সন্ধ্যা ০৭:১০ | সন্ধ্যা ০৭:১২ |
| ৮ | আজমপুর | রাত ০৮:০৫ | রাত ০৮:০৭ |
| ৯ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | রাত ০৮:৩০ | রাত ০৮:৩৪ |
| ১০ | ভৈরব বাজার | রাত ০৮:৫৫ | রাত ০৮:৫৮ |
| ১১ | বিমান বন্দর | রাত ১০:১২ | – |
| ১২ | ঢাকা (কমলাপুর) | রাত ১০:৪০ | – |
৪. পারাবত এক্সপ্রেসের টিকিটের ভাড়া ২০২৬
পারাবত এক্সপ্রেসের টিকিটের মূল্য আসন বিভাগ অনুযায়ী নির্ধারিত। নিচে ২০২৬ সালের ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো। এই ভাড়ার সাথে ১৫% ভ্যাট যুক্ত থাকতে পারে:
| আসনের বিভাগ | টিকিটের মূল্য (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | ৩৭৫ টাকা |
| প্রথম সিট (1ST_SEAT) | ৫৭৫ টাকা |
| স্নিগ্ধা (SNIGDHA) | ৭১৯ টাকা |
| এসি সিট (AC_S) | ৮৬৩ টাকা |
বিঃদ্রঃ: কম দূরত্বের যাত্রীদের জন্য (যেমন বিমানবন্দর থেকে ভৈরব) ভাড়া তুলনামূলক কম হয়। তবে সিলেট পর্যন্ত পুরো যাত্রার জন্য উপরের ভাড়াই প্রযোজ্য।
৫. ঢাকা থেকে সিলেটের অন্যান্য ট্রেনের সাথে তুলনা
পারাবত এক্সপ্রেস এই রুটের দ্রুততম ট্রেন। এটি ছাড়াও এই রুটে যেসব ট্রেন চলাচল করে তার সংক্ষিপ্ত তালিকা:
| ট্রেনের নাম | ঢাকা ছাড়ে | সিলেট পৌঁছায় | ভ্রমণ সময় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| পারাবত এক্সপ্রেস | সকাল ০৬:৩০ | দুপুর ০১:০০ | ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট | সোমবার |
| জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস | সকাল ১১:১৫ | সন্ধ্যা ০৭:০০ | ৭ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট | মঙ্গলবার |
| কালনী এক্সপ্রেস | দুপুর ০২:৫৫ | রাত ০৯:৩০ | ৬ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট | শুক্রবার |
| উপবন এক্সপ্রেস | রাত ১০:০০ | ভোর ০৫:০০ (পরদিন) | ৭ ঘণ্টা | বুধবার |
| সুরমা মেইল | রাত ১০:৫০ | দুপুর ১২:১০ (পরদিন) | ১৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট | নেই |
পারাবত এক্সপ্রেস ও কালনী এক্সপ্রেসের সময় প্রায় কাছাকাছি (৬.৫ ঘণ্টা), তবে পারাবত সকালের দিকে ছাড়ায় বলে দিনের বেলা কাজ শেষে সিলেট পৌঁছতে চান তাদের জন্য এটি বেশি উপযোগী।
উপসংহার
ঢাকা থেকে সিলেট যাত্রার জন্য পারাবত এক্সপ্রেস এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও দ্রুততম মাধ্যম। সকাল ৬টার দিকে কমলাপুর থেকে ছেড়ে দুপুর ১টায় সিলেট পৌঁছানোর সময়সূচিটি যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়া হোক কিংবা জরুরি প্রয়োজনে সিলেট যাত্রা—পারাবত এক্সপ্রেস যাত্রীদের সময় ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করে।
ট্রেনটির যাত্রাপথের স্টেশনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। বিমানবন্দর স্টেশন থেকে যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে উঠতে পারেন। শ্রীমঙ্গলের চা বাগান দেখতে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য এটি একটি সুবিধাজনক অপশন। আর কুলাউড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মতো স্টেশনগুলো আঞ্চলিক যাত্রীদের জন্য বাড়ি ফেরার পথ সহজ করে তোলে।
তবে ভ্রমণের আগে দুটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। প্রথমত, পারাবত এক্সপ্রেস সোমবার বন্ধ থাকে। সোমবার যাত্রা পরিকল্পনা করলে জয়ন্তিকা বা কালনী এক্সপ্রেস বেছে নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, টিকিট আগে থেকেই অনলাইনে বুকিং দেওয়া উচিত। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করলে ঝামেলা কমে।
২০২৬ সালেও পারাবত এক্সপ্রেস তার সুনাম ধরে রেখেছে। সময়ানুবর্তিতা ও আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে সচেষ্ট। তাই আর দেরি নয়। আজই আপনার সিলেট যাত্রার পরিকল্পনা করুন এবং সুবিধামতো টিকিট কেটে নিন। আপনার যাত্রা শুভ হোক!
❓ Frequently Asked Questions (FAQ) – ৩০টি প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: পারাবত এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: পারাবত এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭০৯) সকাল ০৬:৩০ মিনিটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়ে।
প্রশ্ন ২: পারাবত এক্সপ্রেস কতক্ষণে সিলেট পৌঁছায়?
উত্তর: ট্রেনটি সিলেট পৌঁছাতে প্রায় ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় নেয়।
প্রশ্ন ৩: পারাবত এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: অধিকাংশ নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী, পারাবত এক্সপ্রেস সোমবার বন্ধ থাকে। তবে কিছু সূত্রে মঙ্গলবার উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন ৪: পারাবত এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার ৩৭৫ টাকা, প্রথম সিট ৫৭৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৭১৯ টাকা, এসি সিট ৮৬৩ টাকা।
প্রশ্ন ৫: পারাবত এক্সপ্রেস কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: বিমান বন্দর, ভৈরব বাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আজমপুর, নয়াপাড়া, শায়েস্তাগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, ভানুগাছ, কুলাউড়া, মাইজগাঁও।
প্রশ্ন ৬: পারাবত এক্সপ্রেস কি এসি সুবিধা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, এসি সিট ও এসি বার্থ সুবিধা আছে।
প্রশ্ন ৭: স্নিগ্ধা ক্লাসের টিকিটের দাম কত?
উত্তর: স্নিগ্ধা ক্লাসের টিকিটের মূল্য ৭১৯ টাকা।
প্রশ্ন ৮: অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম কী?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd-এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে ৭ দিন আগ থেকে টিকিট কাটা যায়।
প্রশ্ন ৯: ট্রেনে খাবার ব্যবস্থা আছে কি?
উত্তর: সীমিত পরিসরে স্ন্যাক্স ও পানি বিক্রি হয়। তবে নিজের পছন্দের খাবার নিয়ে যাওয়া ভালো।
প্রশ্ন ১০: মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত সিট আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রতিটি ট্রেনের মহিলা সংরক্ষিত বগি থাকে।
প্রশ্ন ১১: বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেন কখন আসে?
উত্তর: বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেনটি সকাল ০৬:৫৩ মিনিটে পৌঁছে ও সকাল ০৬:৫৮ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ১২: নয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেনের সময় কত?
উত্তর: নয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেনটি সকাল ০৯:৩০ মিনিটে পৌঁছে ও ০৯:৩২ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ১৩: শ্রীমঙ্গল যেতে কোন ট্রেন ভালো?
উত্তর: শ্রীমঙ্গল যাওয়ার জন্য পারাবত এক্সপ্রেস ও জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস দুটি ভালো অপশন।
প্রশ্ন ১৪: পারাবত এক্সপ্রেস কত নম্বর ট্রেন?
উত্তর: ঢাকা থেকে সিলেটের জন্য ট্রেন নম্বর ৭০৯ এবং সিলেট থেকে ঢাকার জন্য ৭১০।
প্রশ্ন ১৫: ছুটির দিনে ট্রেনের ভাড়া বাড়ে?
উত্তর: না, ছুটির দিনে ভাড়া বাড়ে না।
প্রশ্ন ১৬: কূলাউড়া স্টেশনে কখন পৌঁছায়?
উত্তর: কুলাউড়া স্টেশনে সকাল ১১:২৫ মিনিটে পৌঁছে ও ১১:২৮ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ১৭: বর্ষাকালে ট্রেন চলে?
উত্তর: স্বাভাবিক অবস্থায় চলে, তবে ভারী বৃষ্টিতে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
প্রশ্ন ১৮: ট্রেনে শোভন ও শোভন চেয়ারের পার্থক্য কী?
উত্তর: শোভন চেয়ার কিছুটা প্রশস্ত ও আরামদায়ক।
প্রশ্ন ১৯: ট্রেনে মোবাইল চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: এসি ও স্নিগ্ধা ক্লাসে চার্জিং পয়েন্ট থাকে।
প্রশ্ন ২০: সিলেট থেকে ঢাকা ফেরার সময় কত?
উত্তর: সিলেট থেকে বিকাল ০৪:০০টায় ছেড়ে রাত ১০:৪০টায় ঢাকায় পৌঁছে।
প্রশ্ন ২১: ভৈরব বাজারে কখন পৌঁছায়?
উত্তর: সকাল ০৮:০৩ মিনিটে পৌঁছে ও ০৮:০৬ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ২২: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সময় কত?
উত্তর: সকাল ০৮:২৬ মিনিটে পৌঁছে ও ০৮:২৯ মিনিটে ছাড়ে।
প্রশ্ন ২৩: ট্রেনটি কবে থেকে চলছে?
উত্তর: ৫ ডিসেম্বর চালু হয়।
প্রশ্ন ২৪: উপবন এক্সপ্রেসের চেয়ে কোনটি দ্রুত?
উত্তর: পারাবত এক্সপ্রেস দ্রুততর (৬.৫ ঘণ্টা), উপবন এক্সপ্রেস সময় নেয় ৭ ঘণ্টা。
প্রশ্ন ২৫: সর্বনিম্ন ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার শ্রেণির ভাড়া ৩৭৫ টাকা।
প্রশ্ন ২৬: ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে বুকিং দেওয়া যায়?
উত্তর: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়।
প্রশ্ন ২৭: একতা এক্সপ্রেস কি পারাবত এক্সপ্রেসের অংশ?
উত্তর: না, এটি আলাদা একটি ট্রেনের নাম।
প্রশ্ন ২৮: কোথায় ট্রেনের লাইভ লোকেশন পাওয়া যায়?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের মোবাইল অ্যাপ বা ট্রেন ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটে।
প্রশ্ন ২৯: সিলেট পৌঁছে ট্যাক্সি পাবো?
উত্তর: সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে সিএনজি ও ট্যাক্সি সহজলভ্য।
প্রশ্ন ৩০: ২০২৬ সালে ভাড়া কি পরিবর্তন হয়েছে?
উত্তর: ২০২৬ সালের ভাড়া ৩৭৫ থেকে ৮৬৩ টাকার মধ্যে স্থির রয়েছে。
প্রশ্ন ৩১: পাহাড়িকা এক্সপ্রেস কি এই রুটে চলে?
উত্তর: পাহাড়িকা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে চলে, নয়াপাড়া স্টেশনে এটি পাওয়া যায়।






