ভৈরব টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ – ভাড়া ও টিকিট সহ
ভৈরব বাজার রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল যোগাযোগ কেন্দ্র। ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই স্টেশনটি প্রতিদিন হাজারো যাত্রীর গন্তব্য ও যাতায়াতের মাধ্যম। ভৈরব থেকে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব রেলপথে মাত্র ৮৫ কিলোমিটার । এই স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতে ট্রেনে সময় লাগে মাত্র ১ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা ১০ মিনিটের মধ্যে ।
২০২৬ সালেও ভৈরব-ঢাকা রুটে ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা পূর্বের মতোই সচল ও সময়োপযোগী। সড়কপথে ভৈরব থেকে ঢাকা যেতে যানজট ও অনিশ্চিত যাত্রা সময়ের তুলনায়, ট্রেনে ভ্রমণ মানেই সময়ানুবর্তিতা ও আরামদায়ক যাত্রা। বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা চিন্তা করে এই রুটে প্রতিদিন মোট ১৭টিরও বেশি ট্রেন চলাচল করে । এর মধ্যে রয়েছে ১০টি আন্তঃনগর ট্রেন ও ৭টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন ।
ভৈরব থেকে ঢাকাগামী ট্রেনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—মহানগর গোধূলী এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস, তূর্ণা এক্সপ্রেস, কালনী এক্সপ্রেস ও একাদশ সিন্ধুর গোধূলি। প্রতিটি ট্রেনের রয়েছে আলাদা আলাদা ছুটির দিন ও সময়সূচী। যাত্রীরা তাদের সুবিধামতো সকাল, দুপুর, বিকাল অথবা রাতের ট্রেন বেছে নিতে পারেন।
এছাড়া, ভৈরব থেকে ঢাকার ট্রেন ভ্রমণ অত্যন্ত সাশ্রয়ী। শোভন শ্রেণির টিকিটের মূল্য মাত্র ৮৫ টাকা থেকে শুরু, আর এসি বার্থের ভাড়া ৩৫১ টাকা পর্যন্ত । এই ভাড়া সড়কপথের চেয়ে অনেক কম, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত যাত্রীদের জন্য ট্রেনকে সেরা বাহন করে তুলেছে।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো ভৈরব থেকে ঢাকাগামী সবগুলো ট্রেনের সম্পূর্ণ সময়সূচী, ছুটির দিন, ভাড়ার তালিকা এবং যাত্রার আগে আপনার যেসব প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। নিচের তথ্যগুলো ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।
ভৈরব টু ঢাকা ট্রেনের বিস্তারিত সময়সূচী ও ভাড়া
১. আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী (ভৈরব বাজার থেকে ঢাকা)
ভৈরব থেকে ঢাকায় মোট ১০টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। নিচে ট্রেনের নাম, ছাড়ার সময়, পৌঁছানোর সময় ও ছুটির দিন উল্লেখ করা হলো :
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | ভৈরব ছাড়ে | ঢাকা পৌঁছায় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| তূর্ণা এক্সপ্রেস | ৭৪১ | ০৩:৩৩ AM | ০৫:১৫ AM | নেই |
| উপবান এক্সপ্রেস | ৭৪০ | ০৪:০৬ AM | ০৫:৪৫ AM | নেই |
| একাদশ সিন্ধুর প্রভাতী | ৭৩৮ | ০৮:২০ AM | ১০:৩০ AM | নেই |
| চট্টলা এক্সপ্রেস | ৮০১ | ১০:২১ AM / ১০:৫৩ AM | ১২:১০ PM / ১২:৪০ PM | শুক্রবার |
| কালনী এক্সপ্রেস | ৭৭৪ | ১১:১০ AM / ১১:১৩ AM | ০১:০০ PM / ১২:৫৫ PM | শুক্রবার |
| একাদশ সিন্ধুর গোধূলি | ৭৫০ | ০২:৫৫ PM / ০৩:০০ PM | ০৪:৪৫ PM / ০৪:৪৫ PM | বুধবার |
| মহানগর এক্সপ্রেস | ৭২১ | ০৪:৫৭ PM | ০৬:৪০ PM | রবিবার |
| কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস | ৭৮২ | ০৫:৪৮ PM | ০৭:৫৫ PM / ০৮:০০ PM | শুক্রবার |
| মহানগর গোধূলি | ৭০৩ | ০৭:০৭ PM / ০৭:০৮ PM | ০৮:৫৫ PM / ০৮:৪৫ PM | নেই |
| পারাবত এক্সপ্রেস | ৭১০ | ০৮:৩০ PM | ১০:১৫ PM | মঙ্গলবার / সোমবার বা মঙ্গলবার |
দ্রষ্টব্য: চট্টলা ও কালনী এক্সপ্রেসের সময়সূচী সূত্রভেদে কিছুটা ভিন্ন। ভ্রমণের আগে একবার রেলওয়ের অফিসিয়াল সাইট চেক করে নেওয়া নিরাপদ।
২. মেইল ও কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী
সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্রমণ করতে চাইলে ভৈরব থেকে ঢাকায় মেইল ও কমিউটার ট্রেনগুলো ভালো অপশন। নিচে ৭টি ট্রেনের সময়সূচী দেওয়া হলো :
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | ভৈরব ছাড়ে | ঢাকা পৌঁছায় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| নোয়াখালী মেইল | ১১ | ০১:৩২ AM | ০৬:১৫ AM | নেই |
| চট্টগ্রাম মেইল | ১ | ০৪:৩১ AM | ০৭:০০ AM | নেই |
| তিতাস কমিউটার-১ | ৩৩ | ০৫:৫২ AM | ০৮:৩৫ AM | নেই |
| নরসিংদী কমিউটার-১ | – | ০৬:৪৫ AM | ০৯:০৫ AM | নেই |
| সুরমা মেইল | ১০ | ০৬:৫৫ AM | ০৯:৪৫ AM | নেই |
| তিতাস কমিউটার-৩ | ৩৫ | ০১:৩৬ PM | ০৩:৩০ PM | নেই |
| কর্ণফুলী কমিউটার | ৩ | ০৩:৩৫ PM | ০৬:২০ PM | নেই |
৩. ভৈরব টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
ভৈরব থেকে ঢাকা রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিলোমিটার। এই রুটে বিভিন্ন শ্রেণির টিকিটের ভাড়া নিচের তালিকায় দেওয়া হলো (১৫% ভ্যাটসহ) :
| আসনের শ্রেণী | টিকিটের মূল্য (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন | ৮৫ টাকা |
| শোভন চেয়ার | ১০৫ টাকা |
| প্রথম সিট | ১৫৬ টাকা |
| প্রথম বার্থ | ২৩৬ টাকা |
| স্নিগ্ধা | ১৯৬ টাকা |
| এসি সিট | ২৩৬ টাকা |
| এসি বার্থ | ৩৫১ টাকা |
টিপ: শোভন ও শোভন চেয়ারের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো আসনের প্রশস্ততা ও আরাম। শোভন চেয়ারে একটু বেশি জায়গা ও কুশনিং ভালো থাকে।
৪. ঢাকা থেকে ভৈরবের ট্রেনের সময়সূচী (ফেরার জন্য)
আপনি ভৈরব থেকে ঢাকা গিয়ে ফিরতে চাইলে ঢাকা থেকে ভৈরবের ট্রেনের সময়সূচীও জেনে রাখা ভালো :
| ট্রেনের নাম | ঢাকা ছাড়ে | ভৈরব পৌঁছায় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|
| মহানগর গোধূলি (৭০৪) | ০৭:৪৫ AM | ০৯:১৬ AM | নেই |
| পারাবত এক্সপ্রেস (৭০৯) | ০৬:৩০ AM | ০৮:০৩ AM | মঙ্গলবার |
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) | ০৯:২০ PM | ১১:০০ PM | রবিবার |
| একাদশ সিন্ধুর প্রভাতী (৭৩৭) | ০৭:১৫ AM | ০৮:৫৩ AM | বুধবার |
| উপবান এক্সপ্রেস (৭৩৯) | ১০:০০ PM | ১১:৪০ PM | বুধবার |
| তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) | ১১:১৫ PM | ১২:৪৯ AM | নেই |
| চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০২) | ০১:৪৫ PM | ০৩:৩০ PM | শুক্রবার |
উপসংহার
ভৈরব থেকে ঢাকা ট্রেন যাত্রা অত্যন্ত সাশ্রয়ী, আরামদায়ক ও সময়োপযোগী একটি ভ্রমণ মাধ্যম। ২০২৬ সালেও এই রুটে প্রতিদিন ১৭টির বেশি ট্রেন চলাচল করছে, যা যাত্রীদের জন্য যথেষ্ট বিকল্প নিশ্চিত করেছে। সকালের প্রথম ট্রেন তূর্ণা এক্সপ্রেস ভোর ৩টা ৩৩ মিনিটে ভৈরব ছেড়ে সকাল সাড়ে ৫টার মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে দেয়। রাতের শেষ ট্রেন পারাবত এক্সপ্রেস রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে রাত সোয়া ১০টায় ঢাকায় পৌঁছায়।
সড়কপথে ভৈরব থেকে ঢাকা যেতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগলেও যানজটের কারণে অনেক সময় সময় লাগে ৪-৫ ঘণ্টাও। অথচ ট্রেনে নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রা শেষ করা যায়। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রীদের জন্য সকালের ট্রেনগুলো দারুণ উপযোগী। একাদশ সিন্ধুর প্রভাতী সকাল সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সোয়া ১০টায় ঢাকায় পৌঁছায়, যা ৯টা-১০টার অফিসের জন্য দারুণ।
টিকিটের মূল্যও খুবই সাশ্রয়ী। মাত্র ৮৫ টাকায় শোভন শ্রেণিতে এবং ১০৫ টাকায় শোভন চেয়ারে ভ্রমণ করা যায়। এসি সিটের ভাড়া ২৩৬ টাকা, যা বাসের এসির চেয়েও কম। ট্রেনে ভ্রমণ মানে আরেকটি বড় সুবিধা হলো—স্থির থাকা ও জানালা দিয়ে প্রকৃতি উপভোগ করার সুযোগ। সকালের ট্রেনে উঠলে কুয়াশা ঢাকা মেঘনা নদীর দৃশ্য চোখ জুড়িয়ে দেয়।
তবে ভ্রমণের আগে ট্রেনের ছুটির দিনগুলি জেনে নেওয়া জরুরি। শুক্রবার চট্টলা, কালনী ও কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে। রবিবার মহানগর এক্সপ্রেস ও মঙ্গলবার পারাবত এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে। টিকিট আগে থেকেই অনলাইনে বুকিং দেওয়া ভালো। যদিও ভৈরবের মতো ছোট স্টেশনে কাউন্টারে টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, তবু অনলাইনে টিকিট কাটলে ঝামেলা কমে।
সব মিলিয়ে, ভৈরব থেকে ঢাকা যাতায়াতের ক্ষেত্রে ট্রেন একটি নির্ভরযোগ্য, আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী বাহন। আপনার যাত্রা শুভ হোক!
❓ Frequently Asked Questions (FAQ) – ৩০টি প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: ভৈরব থেকে ঢাকার প্রথম ট্রেন কোনটি?
উত্তর: তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪১) যা ভোর ০৩:৩৩ মিনিটে ভৈরব ছাড়ে ।
প্রশ্ন ২: ভৈরব থেকে ঢাকার শেষ ট্রেন কোনটি?
উত্তর: পারাবত এক্সপ্রেস (৭১০) যা রাত ০৮:৩০ মিনিটে ভৈরব ছাড়ে ।
প্রশ্ন ৩: ভৈরব থেকে ঢাকার দ্রুততম ট্রেন কোনটি?
উত্তর: উপবান এক্সপ্রেস ও তূর্ণা এক্সপ্রেস। উপবান এক্সপ্রেস ১ ঘণ্টা ৩৯ মিনিটে আর তূর্ণা এক্সপ্রেস ১ ঘণ্টা ৪২ মিনিটে পৌঁছায় ।
প্রশ্ন ৪: ভৈরব থেকে ঢাকা ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন ৮৫ টাকা, শোভন চেয়ার ১০৫ টাকা, এসি সিট ২৩৬ টাকা ও এসি বার্থ ৩৫১ টাকা ।
প্রশ্ন ৫: পারাবত এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: পারাবত এক্সপ্রেস মঙ্গলবার বন্ধ থাকে ।
প্রশ্ন ৬: কালনী এক্সপ্রেস কি শুক্রবার চলে?
উত্তর: না, কালনী এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে ।
প্রশ্ন ৭: ভৈরব থেকে ঢাকা যেতে কত ঘণ্টা লাগে?
উত্তর: আন্তঃনগর ট্রেনে ১ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা ১০ মিনিট সময় লাগে ।
প্রশ্ন ৮: ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কাটা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে।
প্রশ্ন ৯: ভৈরব রেলস্টেশনের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: ভৈরব বাজার এলাকায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে।
প্রশ্ন ১০: সুরমা মেইল ট্রেন কখন চলে?
উত্তর: সুরমা মেইল সকাল ০৬:৫৫ মিনিটে ভৈরব ছেড়ে সকাল ০৯:৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায় ।
প্রশ্ন ১১: তিতাস কমিউটার ট্রেন কয়টি?
উত্তর: তিতাস কমিউটার-১ ও তিতাস কমিউটার-৩ নামে দুটি ট্রেন চলাচল করে ।
প্রশ্ন ১২: নোয়াখালী মেইল ট্রেনের ছুটির দিন আছে কি?
উত্তর: না, নোয়াখালী মেইল প্রতিদিন চলে । তবে এটি অনিয়মিতভাবে চলে।
প্রশ্ন ১৩: উপবান এক্সপ্রেসের ছুটির দিন কোনটি?
উত্তর: কিছু সূত্রে উপবান এক্সপ্রেসের ছুটি নেই বলা থাকলেও এক সূত্রে সোমবার উল্লেখ আছে ।
প্রশ্ন ১৪: চট্টলা এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
উত্তর: সকাল ১০:২১ মিনিটে । তবে সূত্রভেদে ১০:৫৩ উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন ১৫: ভৈরব থেকে ঢাকায় শিশুদের টিকিটের হার কত?
উত্তর: সাধারণত ৩ বছরের কম শিশুদের বিনামূল্যে এবং ৩-১২ বছর বয়সীদের অর্ধেক ভাড়া প্রযোজ্য।
প্রশ্ন ১৬: ভৈরব স্টেশনে টয়লেট সুবিধা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, স্টেশনে মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা টয়লেট আছে।
প্রশ্ন ১৭: ট্রেনে লাগেজ নেওয়ার সীমা কত?
উত্তর: আন্তঃনগর ট্রেনে সাধারণত ৫০ কেজি পর্যন্ত লাগেজ ফ্রি বহন করা যায়।
প্রশ্ন ১৮: একাদশ সিন্ধুর প্রভাতী ট্রেনের সময় কত?
উত্তর: সকাল ০৮:২০ মিনিটে ভৈরব ছাড়ে ও ১০:৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায় ।
প্রশ্ন ১৯: কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস কখন চলে?
উত্তর: বিকাল ০৫:৪৮ মিনিটে ভৈরব ছাড়ে ।
প্রশ্ন ২০: চট্টলা এক্সপ্রেসের ছুটির দিন কোনটি?
উত্তর: চট্টলা এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে ।
প্রশ্ন ২১: স্নিগ্ধা ক্লাসে কি এসি আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, স্নিগ্ধা ক্লাস এসি চেয়ার কার ।
প্রশ্ন ২২: মহানগর গোধূলি ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ারে ১০৫ টাকা ও এসি সিটে ২৩৬ টাকা 。
প্রশ্ন ২৩: ভৈরব থেকে ঢাকার ট্রেনে সিট পাবো নিশ্চিত?
উত্তর: আগাম টিকিট কাটলে নিশ্চিত, দাঁড়িয়ে টিকিট কেনা যায় না।
প্রশ্ন ২৪: ট্রেনে মোবাইল চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: এসি ও স্নিগ্ধা ক্লাসে চার্জিং পয়েন্ট থাকে।
প্রশ্ন ২৫: বর্ষাকালে ট্রেন চলে?
উত্তর: স্বাভাবিক অবস্থায় চলে, তবে মাঝেমধ্যে বিলম্ব হতে পারে।
প্রশ্ন ২৬: ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে বুকিং দেওয়া যায়?
উত্তর: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে বুকিং দেওয়া যায়।
প্রশ্ন ২৭: ভৈরব থেকে ঢাকা রেল দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ৮৫ কিলোমিটার 。
প্রশ্ন ২৮: ট্রেন মিস করলে টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট নিয়মে ট্রেন ছাড়ার পর টিকিট জমা দিলে কিছু টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ২৯: ভৈরব স্টেশনের ফোন নম্বর জানতে চাই?
উত্তর: সুনির্দিষ্ট নম্বর পেতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
প্রশ্ন ৩০: কোন ওয়েবসাইটে সঠিক সময়সূচী পাবো?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট و মোবাইল অ্যাপে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়।






