কক্সবাজার টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও টিকিটের মূল্য ২০২৬ – সম্পূর্ণ নির্দেশিকা
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজার থেকে রাজধানী ঢাকায় ফেরার জন্য ট্রেন একটি নির্ভরযোগ্য, আরামদায়ক ও সময়োপযোগী মাধ্যম। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ শেষে ঘরে ফেরার পথে ট্রেন যাত্রা যেন আরেকটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। রেললাইনের দুপাশে সবুজ বনানী, পাহাড়ি দৃশ্য ও নদী—সব মিলিয়ে যাত্রাটি করে তোলে স্মরণীয়।
কক্সবাজার থেকে ঢাকায় বর্তমানে দুটি সরাসরি আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে—কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস। কক্সবাজার এক্সপ্রেস ২০২৩ সালের ১লা ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে, যা এই রুটে রেল পরিবহন যুগের সূচনা করে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১০ই জানুয়ারি পর্যটক এক্সপ্রেস নামে দ্বিতীয় ট্রেন চালু হয়।
২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৩) কক্সবাজার থেকে দুপুর ১২:৩০ মিনিটে ছেড়ে রাত ০৯:১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছে। অন্যদিকে পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৫) রাত ০৮:০০/০৭:৪৫ মিনিটে ছেড়ে ভোর ০৪:৩০/০৪:২০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়।
ট্রেন ভ্রমণের বড় সুবিধা হলো সময়ানুবর্তিতা ও নিরাপত্তা। সড়কপথে ঢাকা যেতে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা সময় লাগে, অথচ ট্রেনে মাত্র ৮-৯ ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায়। আর ট্রেনের জানালা দিয়ে পাহাড়ি দৃশ্য ও সাগরের মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ট্রেনগুলোর সম্পূর্ণ সময়সূচী, টিকিটের মূল্য, আসন শ্রেণি, টিকিট কাটার নিয়ম এবং যাত্রার আগে করণীয় বিষয়গুলো।
কক্সবাজার টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
কক্সবাজার থেকে ঢাকায় সরাসরি যাতায়াতের জন্য বর্তমানে দুটি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে। নিচে ট্রেনগুলোর বিস্তারিত সময়সূচী দেওয়া হলো:
১. কক্সবাজার এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৮১৩)
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ঢাকা-কক্সবাজার রুটের প্রথম বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন। এটি দিনের বেলায় যাত্রীদের জন্য উপযুক্ত।
| রুট | ট্রেন নম্বর | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | ভ্রমণ সময় | সাপ্তাহিক ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| কক্সবাজার → ঢাকা | ৮১৩ | দুপুর ১২:৩০ | রাত ০৯:১০ | ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট | মঙ্গলবার |
| ঢাকা → কক্সবাজার | ৮১৪ | রাত ১০:৩০ | সকাল ০৭:২০ | ৮ ঘণ্টা ৫০ মিনিট | সোমবার |
বিঃদ্রঃ: ট্রেনটি যাত্রাপথে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। চট্টগ্রাম স্টেশনে এটি প্রায় ২০ মিনিট বিরতি নেয়।
২. পর্যটক এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৮১৫)
পর্যটক এক্সপ্রেস ২০২৪ সালের ১০ই জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে। এটি রাতের যাত্রায় ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য আদর্শ।
| রুট | ট্রেন নম্বর | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | ভ্রমণ সময় | সাপ্তাহিক ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| কক্সবাজার → ঢাকা | ৮১৫ | রাত ০৭:৪৫ – ০৮:০০ | ভোর ০৪:২০ – ০৪:৩০ | ৮ ঘণ্টা ২০-৩৫ মিনিট | বুধবার |
| ঢাকা → কক্সবাজার | ৮১৬ | সকাল ০৬:১৫ | বিকাল ০২:৪০-০৩:০০ | ৮ ঘণ্টা ২৫-৪৫ মিনিট | রবিবার |
বিঃদ্রঃ: পর্যটক এক্সপ্রেস যাত্রাপথে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। চট্টগ্রাম স্টেশনে ট্রেনটি রাত ১০:৪৫ মিনিটে পৌঁছে রাত ১১:১৫ মিনিটে ছাড়ে।
কক্সবাজার টু ঢাকা ট্রেনের টিকিটের মূল্য ২০২৬
কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস—উভয় ট্রেনেই ভাড়া প্রায় একই রকম। নিচে শ্রেণিভেদে টিকিটের মূল্য তালিকা দেওয়া হলো:
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিটের মূল্য
| আসনের বিভাগ | টিকিটের মূল্য (টাকায়) | বিঃদ্রঃ |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার (নন-এসি) | ৬৯৫ – ৭৫৪ টাকা | জনপ্রিয় ও সাশ্রয়ী, ৭৮০ আসনের মধ্যে প্রধান |
| এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) | ১,৩২৫ – ১,৪৪৯ টাকা | এসি চেয়ার, আরামদায়ক |
| এসি সিট | ১,৫৯০ – ১,৭২৮ টাকা | এসি সিট, দিনের যাত্রায় আরামদায়ক |
| এসি বার্থ | ২,৩৮০ – ২,৬৫৬ টাকা | এসি শোয়ার সুবিধা, রাতের যাত্রায় উপযোগী |
ভাড়া সংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্য
-
অনলাইন সার্ভিস চার্জ: অনলাইনে টিকিট বুকিং করলে প্রতি টিকিটে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে।
-
বেডিং চার্জ: এসি বার্থ ও এসি সিটের টিকিটের সাথে ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হয়।
-
চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য: চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য প্রতিটি ট্রেনে ১১৫টি আসন সংরক্ষিত থাকে।
-
পন্টেজ চার্জ: ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পন্টেজ চার্জ (সেতু মাশুল) আরোপের ফলে ভাড়া কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেসের তুলনামূলক তথ্য এক নজরে
| বিষয় | কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৩) | পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৫) |
|---|---|---|
| কক্সবাজার ছাড়ার সময় | দুপুর ১২:৩০ | রাত ০৭:৪৫ – ০৮:০০ |
| ঢাকা পৌঁছানোর সময় | রাত ০৯:১০ | ভোর ০৪:২০ – ০৪:৩০ |
| ভ্রমণ সময় | ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট | ৮ ঘণ্টা ২০-৩৫ মিনিট |
| সাপ্তাহিক ছুটি | মঙ্গলবার | বুধবার |
| শোভন চেয়ার ভাড়া | ৬৯৫ টাকা | ৬৯৫ টাকা |
| এসি চেয়ার ভাড়া | ১,৩২৫ টাকা | ১,৩২৫ টাকা |
| এসি সিট ভাড়া | ১,৫৯০ টাকা | ১,৫৯০ টাকা |
| এসি বার্থ ভাড়া | ২,৩৮০ টাকা | ২,৩৮০ টাকা |
কক্সবাজার টু ঢাকা রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
কক্সবাজার থেকে ঢাকার রেলপথের প্রকৃত দূরত্ব প্রায় ৪৬৯ কিলোমিটার। তবে বাণিজ্যিক দূরত্বে সেতু (পন্টেজ চার্জ) যোগ হওয়ায় মোট বাণিজ্যিক দূরত্ব প্রায় ৫৫১ কিলোমিটার।
যাত্রাপথের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনসমূহ:
| স্টেশনের নাম | কক্সবাজার থেকে দূরত্ব (প্রায়) |
|---|---|
| কক্সবাজার | ০ কিমি |
| চট্টগ্রাম | ১৯০ কিমি (প্রায়) |
| ঢাকা কমলাপুর | ৫৫১ কিমি (বাণিজ্যিক) |
ট্রেনটি যাত্রাপথে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। কক্সবাজার এক্সপ্রেস চট্টগ্রামে প্রায় ২০ মিনিট এবং পর্যটক এক্সপ্রেস প্রায় ৩০ মিনিট বিরতি নেয়।
টিকিট অনলাইন বুকিংয়ের নিয়ম
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিট পেতে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন:
১. অনলাইনে টিকিট কাটুন
বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কাটা যায়।
২. মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করুন
Rail Sheba অ্যাপ থেকেও টিকিট বুকিং করা যায়।
৩. যাত্রার ৭ দিন আগে বুকিং দিন
টিকিট সাধারণত যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮টায় খোলা হয়।
৪. কাউন্টার থেকেও টিকিট পাবেন
কক্সবাজার ও কমলাপুর রেলস্টেশনের কাউন্টার থেকেও টিকিট কেনা যায়। টিকিট পাওয়া যাবে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকা কমলাপুর স্টেশন থেকে。
টিকিট বুকিংয়ের সময় খরচ
| খরচের ধরন | পরিমাণ |
|---|---|
| সার্ভিস চার্জ (প্রতি টিকিট) | ২০ টাকা |
| বেডিং চার্জ (এসি বার্থ/এসি সিট) | ৫০ টাকা |
💡 কক্সবাজার থেকে ঢাকা ট্রেন ভ্রমণ টিপস
-
টিকিট আগে বুকিং করুন: যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮টায় অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়ার চেষ্টা করুন।
-
সঠিক ট্রেন বেছে নিন:
-
দিনে যেতে চাইলে: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (দুপুর ১২:৩০)
-
রাতে যেতে চাইলে: পর্যটক এক্সপ্রেস (রাত ০৮:০০)
-
-
ছুটির দিন জেনে নিন:
-
কক্সবাজার এক্সপ্রেস (কক্সবাজার থেকে): মঙ্গলবার বন্ধ
-
পর্যটক এক্সপ্রেস (কক্সবাজার থেকে): বুধবার বন্ধ
-
-
প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে রাখুন: দীর্ঘ পথের যাত্রায় খাবার ও পানি সাথে রাখা ভালো। ট্রেনে ক্যাটারিং সুবিধা আছে。
-
কক্সবাজার স্টেশনে আগে পৌঁছান: ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছে যান।
-
চট্টগ্রাম বিরতি: চট্টগ্রাম স্টেশনে ট্রেনটি ২০-৩০ মিনিট দাঁড়ায়। এই সময়ে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিন。
উপসংহার
কক্সবাজার থেকে ঢাকা ট্রেনের মাধ্যমে ফেরা এখন আরও সহজ ও আরামদায়ক। ২০২৬ সালেও কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস নিয়মিত চলাচল করছে। যারা দিনের বেলায় যাত্রা করে রাতে ঢাকায় পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য কক্সবাজার এক্সপ্রেস সেরা বাছাই। আবার যারা রাতে যাত্রা করে ভোরে ঢাকায় পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য পর্যটক এক্সপ্রেস উপযুক্ত।
একনজরে সব তথ্য:
| ট্রেনের নাম | কক্সবাজার ছাড়ে | ঢাকা পৌঁছায় | ছুটির দিন | শোভন চেয়ার ভাড়া | এসি বার্থ ভাড়া |
|---|---|---|---|---|---|
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস | দুপুর ১২:৩০ | রাত ০৯:১০ | মঙ্গলবার | ৬৯৫ টাকা | ২,৩৮০ টাকা |
| পর্যটক এক্সপ্রেস | রাত ০৮:০০ | ভোর ০৪:৩০ | বুধবার | ৬৯৫ টাকা | ২,৩৮০ টাকা |
টিকিটের দাম তুলনামূলকভাবে যুক্তিসংগত। ৬৯৫ টাকায় শোভন চেয়ার, ১,৩২৫ টাকায় এসি চেয়ার ও ১,৫৯০ টাকায় এসি সিটে ভ্রমণ করা যায়। এসি বার্থের ভাড়া ২,৩৮০-২,৬৫৬ টাকা।
ভ্রমণের আগে অবশ্যই টিকিট আগে থেকে অনলাইনে বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে খুব সহজেই টিকিট সংগ্রহ করা যায়। অনলাইনে টিকিট কাটলে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ এবং এসি বার্থ/এসি সিটের জন্য ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হবে।
২০২৬ সালে আপনার কক্সবাজার ভ্রমণ শেষে ঢাকা ফেরার পরিকল্পনা থাকলে সঠিক সময়সূচী মেনে টিকিট কেটে নিন এবং নিশ্চিন্তে যাত্রা শুরু করুন। আপনার যাত্রা শুভ হোক!
Frequently Asked Questions (FAQ) – ২৮টি প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: কক্সবাজার থেকে ঢাকা ট্রেন কয়টি?
উত্তর: কক্সবাজার থেকে ঢাকায় সরাসরি ২টি ট্রেন চলাচল করে—কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস。
প্রশ্ন ২: কক্সবাজার এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৩) কক্সবাজার থেকে দুপুর ১২:৩০ মিনিটে ছাড়ে。
প্রশ্ন ৩: কক্সবাজার এক্সপ্রেস ঢাকা পৌঁছায় কখন?
উত্তর: ট্রেনটি ঢাকা পৌঁছায় রাত ০৯:১০ মিনিটে。
প্রশ্ন ৪: পর্যটক এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৫) কক্সবাজার থেকে রাত ০৭:৪৫ – ০৮:০০ মিনিটে ছাড়ে。
প্রশ্ন ৫: পর্যটক এক্সপ্রেস ঢাকা পৌঁছায় কখন?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস ঢাকা পৌঁছায় ভোর ০৪:২০ – ০৪:৩০ মিনিটে。
প্রশ্ন ৬: কক্সবাজার এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (কক্সবাজার থেকে) মঙ্গলবার বন্ধ থাকে。
প্রশ্ন ৭: পর্যটক এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস (কক্সবাজার থেকে) বুধবার বন্ধ থাকে。
প্রশ্ন ৮: কক্সবাজার টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার ৬৯৫ টাকা, এসি চেয়ার ১,৩২৫ টাকা, এসি সিট ১,৫৯০ টাকা, এসি বার্থ ২,৩৮০ টাকা。
প্রশ্ন ৯: ট্রেনে শোভন চেয়ারের টিকিট কত টাকা?
উত্তর: শোভন চেয়ারের টিকিটের মূল্য ৬৯৫ টাকা。
প্রশ্ন ১০: ট্রেনের টিকেট অনলাইনে কাটা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কাটা যায়।
প্রশ্ন ১১: ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে ঢাকা পৌঁছাতে কত ঘণ্টা লাগে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট, পর্যটক এক্সপ্রেসে ৮ ঘণ্টা ২০-৩৫ মিনিট সময় লাগে。
প্রশ্ন ১২: ট্রেনের ভেতরে খাবার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনটিতে ক্যাটারিং ও খাবার কেনার ব্যবস্থা আছে。
প্রশ্ন ১৩: ট্রেনের টিকিট কাটতে সার্ভিস চার্জ কত?
উত্তর: অনলাইন টিকিট বুকিং করলে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়。
প্রশ্ন ১৪: এসি বার্থের টিকিটে বেডিং চার্জ কত?
উত্তর: এসি বার্থ ও এসি সিটের টিকিটে ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হয়।
প্রশ্ন ১৫: চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য শোভন চেয়ার ২৫০-২৬৪ টাকা。
প্রশ্ন ১৬: ট্রেনটি কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: ট্রেনটি কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকা কমলাপুর স্টেশনে থামে。
প্রশ্ন ১৭: মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত সিট আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, সব আন্তঃনগর ট্রেনে মহিলা সংরক্ষিত বগি থাকে।
প্রশ্ন ১৮: ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে বুকিং দেওয়া যায়?
উত্তর: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়।
প্রশ্ন ১৯: মঙ্গলবার কক্সবাজার থেকে ঢাকা যেতে কোন ট্রেন ভালো?
উত্তর: মঙ্গলবার কক্সবাজার এক্সপ্রেস বন্ধ থাকায় পর্যটক এক্সপ্রেস ব্যবহার করতে পারেন।
প্রশ্ন ২০: ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ কত?
উত্তর: ট্রেনটির সর্বোচ্চ গতিবেগ প্রায় ৮০-৯৫ কিমি/ঘন্টা।
প্রশ্ন ২১: ট্রেন মিস করলে টিকিট ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট নিয়মে ট্রেন ছাড়ার আগে টিকিট জমা দিলে কিছু টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ২২: বর্ষাকালে ট্রেন চলে?
উত্তর: স্বাভাবিক অবস্থায় চলে, তবে ভারী বৃষ্টিতে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
প্রশ্ন ২৩: শিশুদের টিকিটের হার কত?
উত্তর: ৩ বছরের কম শিশুদের বিনামূল্যে, ৩-১২ বছর বয়সীদের সাধারণ ভাড়ার অর্ধেক।
প্রশ্ন ২৪: ট্রেনের সঠিক সময়সূচী কোথায় পাব?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট railway.gov.bd ও eticket.railway.gov.bd-এ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ২৫: কক্সবাজার স্টেশনে টিকিট কাউন্টার কোথায়?
উত্তর: কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে টিকিট কাউন্টার অবস্থিত।
প্রশ্ন ২৬: ট্রেনে লাগেজ নেওয়ার সীমা কত?
উত্তর: সাধারণ যাত্রীদের জন্য ৫০ কেজি পর্যন্ত লাগেজ ফ্রি বহন করা যায়।
প্রশ্ন ২৭: কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
উত্তর: কক্সবাজার→ঢাকা ৮১৩ এবং ঢাকা→কক্সবাজার ৮১৪。
প্রশ্ন ২৮: পর্যটক এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
উত্তর: কক্সবাজার→ঢাকা ৮১৫ এবং ঢাকা→কক্সবাজার ৮১৬。







