ঢাকা টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজার। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের এই শহরটি প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের পদভারে মুখরিত থাকে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য সড়কপথে অনেক সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ২০২৬ সালে যাত্রীদের জন্য দারুণ সুখবর হলো—ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য সুন্দর ও আরামদায়ক ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেলপথে বর্তমানে দুটি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে—কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস। ২০২৩ সালের ১লা ডিসেম্বর কক্সবাজার এক্সপ্রেস যাত্রা শুরু করে, যা এই রুটে রেল পরিবহন যুগের সূচনা করে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১০ই জানুয়ারি পর্যটক এক্সপ্রেস নামে দ্বিতীয় ট্রেন চালু হয়।
২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৪) ঢাকা থেকে রাত ১০:৩০ মিনিটে ছেড়ে সকাল ৭:২০ মিনিটে কক্সবাজারে পৌঁছে। অন্যদিকে পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৬) সকাল ৬:১৫ মিনিটে ছেড়ে বিকাল ৩:০০ টায় কক্সবাজারে পৌঁছায়। উভয় ট্রেনেই এসি সিট, এসি বার্থ ও স্নিগ্ধা ক্লাসের ব্যবস্থা রয়েছে।
ট্রেন ভ্রমণের বড় সুবিধা হলো সময়ানুবর্তিতা ও নিরাপত্তা। সড়কপথে কক্সবাজার যেতে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা সময় লাগে, অথচ ট্রেনে মাত্র ৮-৯ ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায়। আর ট্রেনের জানালা দিয়ে পাহাড়ি দৃশ্য, নদী ও সাগরের মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানবো ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনগুলোর সম্পূর্ণ সময়সূচী, ভাড়ার তালিকা, স্টেশন তথ্য, টিকিট কাটার নিয়ম এবং যাত্রার আগে করণীয় বিষয়গুলো।
ঢাকা টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
ঢাকা থেকে কক্সবাজার সরাসরি যাতায়াতের জন্য বর্তমানে দুটি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে। নিচে ট্রেনগুলোর বিস্তারিত সময়সূচী দেওয়া হলো:
১. কক্সবাজার এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৮১৩/৮১৪)
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ঢাকা-কক্সবাজার রুটের প্রথম বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে ২০২৩ সালের ১লা ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে। এটি রাতের যাত্রীদের জন্য উপযুক্ত।
| রুট | ট্রেন নম্বর | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | ভ্রমণ সময় | সাপ্তাহিক ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| ঢাকা → কক্সবাজার | ৮১৪ | রাত ১০:৩০ | সকাল ০৭:২০ | ৮ ঘণ্টা ৫০ মিনিট | সোমবার |
| কক্সবাজার → ঢাকা | ৮১৩ | দুপুর ১২:৩০ | রাত ০৯:১০ | ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট | মঙ্গলবার |
বিঃদ্রঃ: ট্রেনটি যাত্রাপথে ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। চট্টগ্রাম স্টেশনে এটি প্রায় ২০ মিনিট বিরতি নেয়।
২. পর্যটক এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৮১৫/৮১৬)
পর্যটক এক্সপ্রেস ২০২৪ সালের ১০ই জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে। এটি দিনের বেলায় ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য আদর্শ।
| রুট | ট্রেন নম্বর | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | ভ্রমণ সময় | সাপ্তাহিক ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| ঢাকা → কক্সবাজার | ৮১৬ | ভোর ০৬:১৫ | বিকাল ০৩:০০ | ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট | রবিবার |
| কক্সবাজার → ঢাকা | ৮১৫ | রাত ০৮:০০ | ভোর ০৪:৩০ | ৮ ঘণ্টা ৩০ মিনিট | মঙ্গলবার |
বিঃদ্রঃ: পর্যটক এক্সপ্রেস যাত্রাপথে ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়।
৩. অন্যান্য ট্রেন (চট্টগ্রাম হয়ে সরাসরি কক্সবাজার)
সরাসরি ট্রেন ছাড়াও নিচের ট্রেনগুলো চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে যাতায়াত করে:
| ট্রেনের নাম | ঢাকা ছাড়ার সময় | কক্সবাজার পৌঁছানোর সময় (প্রায়) |
|---|---|---|
| তূর্ণা এক্সপ্রেস | রাত ১১:১৫ | সকাল ০৮:০০ |
| মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস | সকাল ০৭:৪৫ | সকাল ০৮:৩০ |
| মহানগর গোধূলী এক্সপ্রেস | (কক্সবাজার থেকে ঢাকা) দুপুর ১২:০০ | রাত ০৮:৫৫ |
ঢাকা টু কক্সবাজার ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস—উভয় ট্রেনেই প্রায় একই রকম ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে। নিচে শ্রেণিভেদে ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো:
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের ভাড়া তালিকা
| আসনের বিভাগ | ভাড়া (টাকায়) | বিঃদ্রঃ |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৬৯৫ – ৭৫৪ টাকা | নন-এসি, জনপ্রিয় ও সাশ্রয়ী |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ১,৩২৫ – ১,৪৪৯ টাকা | এসি চেয়ার, আরামদায়ক |
| এসি সিট | ১,৫৯০ – ১,৭২৮ টাকা | এসি সিট, দিনের যাত্রায় আরামদায়ক |
| এসি বার্থ | ২,৩৮০ – ২,৬৫৬ টাকা | এসি শোয়ার সুবিধা, রাতের যাত্রায় উপযোগী |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পন্টেজ চার্জ (সেতু মাশুল) আরোপের ফলে ভাড়া কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে সাতটি বড় সেতুর জন্য বাড়তি ৫৪ কিলোমিটারের ভাড়া আরোপ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ভাড়া (শুধুমাত্র চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য)
| আসনের বিভাগ | ভাড়া (টাকায়) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ২৫০ – ২৬৪ টাকা |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ৪৭০ – ৫০১ টাকা |
| এসি সিট | ৬০২ টাকা |
ভাড়া সংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্য
-
অনলাইন সার্ভিস চার্জ: অনলাইনে টিকিট বুকিং করলে প্রতি টিকিটে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে।
-
বেডিং চার্জ: এসি বার্থ ও এসি সিটের টিকিটের সাথে ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হয়।
-
চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য ২০% আসন সংরক্ষিত থাকে。
ঢাকা টু কক্সবাজার রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেলপথের আসল দূরত্ব ৪৬৯.৪৩ কিলোমিটার। তবে বাণিজ্যিক দূরত্ব সেতু (পন্টেজ চার্জ) যোগ হওয়ায় প্রকৃত দূরত্বের চেয়ে বেশি ধরা হয়। মোট বাণিজ্যিক দূরত্ব প্রায় ৫৫১ কিলোমিটার।
গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনসমূহ:
| স্টেশনের নাম | ঢাকা থেকে দূরত্ব (প্রায়) |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | ০ কিমি |
| ঢাকা বিমানবন্দর | ১৮ কিমি |
| চট্টগ্রাম | ৩২১ কিমি |
| কক্সবাজার | ৫৫১ কিমি |
ট্রেনটি যাত্রাপথে ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়; এই দুই স্টেশন ছাড়া বাকি সময় ট্রেনটি বিরতিহীনভাবে চলাচল করে。
🎫 টিকিট অনলাইন বুকিংয়ের নিয়ম
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিট পেতে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন:
১. অনলাইনে টিকিট কাটুন
বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কাটা যায়。
২. মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করুন
Rail Sheba অ্যাপ থেকেও টিকিট বুকিং করা যায়।
৩. যাত্রার ৭ দিন আগে বুকিং দিন
টিকিট সাধারণত যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮টায় খোলা হয়।
৪. কাউন্টার থেকেও টিকিট পাবেন
কমলাপুর ও অন্যান্য রেলস্টেশনের কাউন্টার থেকেও টিকিট কেনা যায়。
টিকিট বুকিংয়ের সময় খরচ
| খরচের ধরন | পরিমাণ |
|---|---|
| সার্ভিস চার্জ (প্রতি টিকিট) | ২০ টাকা |
| বেডিং চার্জ (এসি বার্থ/এসি সিট) | ৫০ টাকা |
💡 কক্সবাজার ট্রেন ভ্রমণ টিপস
-
টিকিট আগে বুকিং করুন: যাত্রার ৭ দিন আগে সকাল ৮টায় অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়ার চেষ্টা করুন
-
সঠিক ট্রেন বেছে নিন:
-
রাতে যেতে চাইলে: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (রাত ১০:৩০)
-
দিনে যেতে চাইলে: পর্যটক এক্সপ্রেস (সকাল ০৬:১৫)
-
-
ছুটির দিন জেনে নিন:
-
কক্সবাজার এক্সপ্রেস: সোমবার বন্ধ
-
পর্যটক এক্সপ্রেস: রবিবার বন্ধ
-
-
প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে রাখুন: দীর্ঘ পথের যাত্রায় খাবার ও পানি সাথে রাখা ভালো। ট্রেনে অন-বোর্ড ক্যাটারিং সার্ভিস আছে。
-
কক্সবাজার স্টেশন থেকে সৈকত যাওয়া: কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন সৈকত থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে, সেখান থেকে সিএনজি বা রিকশায় ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে।
উপসংহার
ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের মাধ্যমে যাতায়াত এখন আরও সহজ ও আরামদায়ক। ২০২৬ সালেও কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস নিয়মিত চলাচল করছে। যারা রাতে যাত্রা করে সকালে কক্সবাজারে পৌঁছে দিন শুরু করতে চান, তাদের জন্য কক্সবাজার এক্সপ্রেস সেরা বাছাই। আবার যারা সকালে যাত্রা করে বিকালে পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য পর্যটক এক্সপ্রেস উপযুক্ত。
ট্রেন ভ্রমণের আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো পথের দৃশ্য। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার যেতে পাহাড়ি পথ ও নদী দেখতে পাবেন। রেললাইনের দুপাশে সবুজ বনানী যাত্রাকে করে তোলে আরামদায়ক।
একনজরে সব তথ্য:
| ট্রেনের নাম | ঢাকা ছাড়ে | কক্সবাজার পৌঁছায় | ছুটির দিন | শোভন চেয়ার ভাড়া | এসি বার্থ ভাড়া |
|---|---|---|---|---|---|
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস | রাত ১০:৩০ | সকাল ০৭:২০ | সোমবার | ৬৯৫-৭৫৪ টাকা | ২,৩৮০-২,৬৫৬ টাকা |
| পর্যটক এক্সপ্রেস | সকাল ০৬:১৫ | বিকাল ০৩:০০ | রবিবার | ৬৯৫-৭৫৪ টাকা | ২,৩৮০-২,৬৫৬ টাকা |
টিকিটের দাম তুলনামূলকভাবে যুক্তিসংগত। ৬৯৫ টাকায় শোভন চেয়ার, ১,৩২৫ টাকায় স্নিগ্ধা এসি চেয়ার ও ১,৫৯০ টাকায় এসি সিটে ভ্রমণ করা যায়。 এসি বার্থের ভাড়া ২,৩৮০-২,৬৫৬ টাকা。
ভ্রমণের আগে অবশ্যই টিকিট আগে থেকে অনলাইনে বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে খুব সহজেই টিকিট সংগ্রহ করা যায়। অনলাইনে টিকিট কাটলে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ এবং এসি বার্থ/এসি সিটের জন্য ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হবে।
২০২৬ সালে আপনার কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আর দেরি না করে আজই টিকিট বুক করুন। আপনার যাত্রা শুভ হোক
❓ Frequently Asked Questions (FAQ) – ৩০টি প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: ঢাকা থেকে কক্সবাজারের সরাসরি ট্রেন কয়টি?
উত্তর: ঢাকা থেকে কক্সবাজার সরাসরি ২টি ট্রেন চলাচল করে—কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস。
প্রশ্ন ২: কক্সবাজার এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৪) ঢাকা থেকে রাত ১০:৩০ মিনিটে ছাড়ে。
প্রশ্ন ৩: কক্সবাজার এক্সপ্রেস কক্সবাজার পৌঁছায় কখন?
উত্তর: ট্রেনটি কক্সবাজার পৌঁছায় সকাল ০৭:২০ মিনিটে。
প্রশ্ন ৪: পর্যটক এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৬) ঢাকা থেকে সকাল ০৬:১৫ মিনিটে ছাড়ে。
প্রশ্ন ৫: পর্যটক এক্সপ্রেস কক্সবাজার পৌঁছায় কখন?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস কক্সবাজার পৌঁছায় বিকাল ০৩:০০ টায়。
প্রশ্ন ৬: কক্সবাজার এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস সোমবার বন্ধ থাকে。
প্রশ্ন ৭: পর্যটক এক্সপ্রেস সপ্তাহের কোন দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস রবিবার বন্ধ থাকে。
প্রশ্ন ৮: ঢাকা টু কক্সবাজার ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার ৬৯৫-৭৫৪ টাকা, স্নিগ্ধা ১,৩২৫-১,৪৪৯ টাকা, এসি সিট ১,৫৯০-১,৭২৮ টাকা, এসি বার্থ ২,৩৮০-২,৬৫৬ টাকা。
প্রশ্ন ৯: চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন চেয়ার ২৫০-২৬৪ টাকা, স্নিগ্ধা ৪৭০-৫০১ টাকা。
প্রশ্ন ১০: ট্রেনের টিকেট অনলাইনে কাটা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে টিকিট কাটা যায়。
প্রশ্ন ১১: ট্রেনটি কক্সবাজার পৌঁছাতে কত ঘণ্টা লাগে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ৮ ঘণ্টা ৫০ মিনিট, পর্যটক এক্সপ্রেসে ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে。
প্রশ্ন ১২: ট্রেনের ভেতরে খাবার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনটিতে ক্যাটারিং ও খাবার কেনার ব্যবস্থা আছে。
প্রশ্ন ১৩: ট্রেনের টিকিট কাটতে সার্ভিস চার্জ কত?
উত্তর: অনলাইন টিকিট বুকিং করলে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়。
প্রশ্ন ১৪: এসি বার্থের টিকিটে বেডিং চার্জ কত?
উত্তর: এসি বার্থ ও এসি সিটের টিকিটে ৫০ টাকা বেডিং চার্জ যুক্ত হয়。
প্রশ্ন ১৫: কক্সবাজার থেকে ঢাকা ফেরার ট্রেন কখন ছাড়ে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস দুপুর ১২:৩০ টায় এবং পর্যটক এক্সপ্রেস রাত ০৮:০০ টায় ছাড়ে。
প্রশ্ন ১৬: ঢাকা থেকে কক্সবাজারের রেল দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রকৃত দূরত্ব প্রায় ৪৬৯ কিলোমিটার, বাণিজ্যিক দূরত্ব প্রায় ৫৫১ কিলোমিটার。
প্রশ্ন ১৭: ট্রেনটি কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর, বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে থামে。
প্রশ্ন ১৮: মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত সিট আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, সব আন্তঃনগর ট্রেনে মহিলা সংরক্ষিত বগি থাকে।
প্রশ্ন ১৯: ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে বুকিং দেওয়া যায়?
উত্তর: যাত্রার ৭ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়。
প্রশ্ন ২০: সোমবার ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে কোন ট্রেন ভালো?
উত্তর: সোমবার কক্সবাজার এক্সপ্রেস বন্ধ থাকায় পর্যটক এক্সপ্রেস ব্যবহার করতে পারেন。
প্রশ্ন ২১: ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ কত?
উত্তর: ট্রেনটির সর্বোচ্চ গতিবেগ প্রায় ৮০-৯৫ কিমি/ঘন্টা。
প্রশ্ন ২২: কক্সবাজার স্টেশন থেকে সমুদ্র সৈকত কত দূরে?
উত্তর: কক্সবাজার রেলস্টেশন থেকে সমুদ্র সৈকত প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে。
প্রশ্ন ২৩: ট্রেন মিস করলে টিকিট ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট নিয়মে ট্রেন ছাড়ার আগে টিকিট জমা দিলে কিছু টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ২৪: বর্ষাকালে ট্রেন চলে?
উত্তর: স্বাভাবিক অবস্থায় চলে, তবে ভারী বৃষ্টিতে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
প্রশ্ন ২৫: শিশুদের টিকিটের হার কত?
উত্তর: ৩ বছরের কম শিশুদের বিনামূল্যে, ৩-১২ বছর বয়সীদের সাধারণ ভাড়ার অর্ধেক।
প্রশ্ন ২৬: ট্রেনের সঠিক সময়সূচী কোথায় পাব?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট railway.gov.bd ও eticket.railway.gov.bd-এ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়。
প্রশ্ন ২৭: তূর্ণা এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
উত্তর: তূর্ণা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ১১:১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং সকাল ৮:০০ টায় কক্সবাজার পৌঁছায়。
প্রশ্ন ২৮: মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
উত্তর: মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে সকাল ৭:৪৫ মিনিটে ছাড়ে。
প্রশ্ন ২৯: কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
উত্তর: ঢাকা→কক্সবাজার ৮১৪ এবং কক্সবাজার→ঢাকা ৮১৩。
প্রশ্ন ৩০: পর্যটক এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
উত্তর: ঢাকা→কক্সবাজার ৮১৬ এবং কক্সবাজার→ঢাকা ৮১৫。







