চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬
কক্সবাজার, বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, পাহাড়ি নৈসর্গিক দৃশ্য, হিমছড়ি, রামু, ইনani ও অন্যান্য আকর্ষণীয় স্থান প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটককে আকর্ষণ করে। আর চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী ও প্রধান প্রবেশদ্বার। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন রুট। আগে শুধু বাস ও প্রাইভেট কার ছিল ভরসা, কিন্তু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ঐতিহাসিকভাবে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ চালু হওয়ার পর যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। এই রেলপথটি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
২০২৬ সালে এসে এই রুটের ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের সুবিধার জন্য ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে একটি হালনাগাদ সময়সূচী চালু করেছে। পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের যাত্রা সময় ১০ মিনিট কমেছে, আবার সৈকত কমিউটারের যাত্রাবিরতি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রেল ভাড়া পুনর্মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশে এই রুটের ভাড়াও ৬-৮% বৃদ্ধি করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় সংবাদ হলো, ২০২৬ সালের মার্চ থেকে এই রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ যুক্ত করা হয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য আরও বিকল্প এনেছে।
এই আর্টিকেলে আমরা চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচলকারী সব ট্রেনের ২০২৬ সালের হালনাগাদ সময়সূচী, শ্রেণিভিত্তিক নতুন ভাড়ার তালিকা, টিকেট সংগ্রহের ডিজিটাল পদ্ধতি (যাতে ২০২৬ সালে নতুন সংযোজন এসেছে), প্রতিটি ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং যাত্রাপথের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। আপনি যদি কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন বা নিয়মিত এই রুটে যাতায়াত করেন, তাহলে এই তথ্য আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুরু করা যাক মূল তথ্যে।
চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
১. চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার চলাচলকারী ট্রেনের তালিকা (২০২৬)
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটে বর্তমানে ২টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং ১টি কমিউটার ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে একটি নতুন ট্রেন যুক্ত হয়েছে।
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার) | ধরন | ২০২৬ সালের বিশেষ পরিবর্তন |
|---|---|---|---|
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস | ৮০১ | আন্তঃনগর | সময়সূচীতে ১০ মিনিট সমন্বয়, যাত্রা সময় কমেছে |
| পর্যটক এক্সপ্রেস | ৮০৩ | আন্তঃনগর | নতুন ট্রেন (২০২৬ সালের মার্চ থেকে চালু) |
| সৈকত কমিউটার | ৮০৫ | কমিউটার | যাত্রাবিরতি বেড়েছে, সময় বেড়েছে ১৫ মিনিট |
গুরুত্বপূর্ণ: পূর্বে চালু ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ নামে একটি ট্রেন ছিল, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ চালু করা হয়েছে।
২. চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
নিচে ২০২৬ সালের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সময়সূচী অনুযায়ী প্রতিটি ট্রেনের ছাড়ার ও পৌঁছানোর সময় উল্লেখ করা হলো:
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নং | চট্টগ্রাম ছাড়ার সময় | কক্সবাজার পৌঁছানোর সময় | যাত্রা সময় | সাপ্তাহিক ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস | ৮০১ | সকাল ০৭:০০ | সকাল ১০:৪০ | ৩ ঘ. ৪০ মি. | মঙ্গলবার |
| পর্যটক এক্সপ্রেস | ৮০৩ | দুপুর ০২:৩০ | সন্ধ্যা ০৬:১৫ | ৩ ঘ. ৪৫ মি. | বুধবার |
| সৈকত কমিউটার | ৮০৫ | বিকাল ০৫:১৫ | রাত ০৯:৩০ | ৪ ঘ. ১৫ মি. | শুক্রবার |
ফেরত পথ (কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম):
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নং | কক্সবাজার ছাড়ার সময় | চট্টগ্রাম পৌঁছানোর সময় | যাত্রা সময় | সাপ্তাহিক ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস | ৮০২ | বিকাল ০৪:৩০ | রাত ০৮:১০ | ৩ ঘ. ৪০ মি. | মঙ্গলবার |
| পর্যটক এক্সপ্রেস | ৮০৪ | সকাল ১০:১৫ | দুপুর ০২:০০ | ৩ ঘ. ৪৫ মি. | বুধবার |
| সৈকত কমিউটার | ৮০৬ | সকাল ০৭:৪৫ | সকাল ১১:৫৫ | ৪ ঘ. ১০ মি. | শুক্রবার |
২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন:
কক্সবাজার এক্সপ্রেস: আগে সকাল ০৭:১০-এ ছাড়ত, এখন ছাড়ে ০৭:০০-এ (যাত্রা সময় ১০ মিনিট কমেছে)।
পর্যটক এক্সপ্রেস: ২০২৬ সালের মার্চ থেকে যুক্ত হওয়া নতুন ট্রেন, দুপুর ০২:৩০-এ ছাড়ে।
সৈকত কমিউটার: যাত্রাবিরতি বেড়েছে, ফলে যাত্রা সময় ১৫ মিনিট বেড়ে ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট হয়েছে।
৩. যাত্রাপথের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনসমূহ (২০২৬ আপডেট)
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথটি চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা ও কক্সবাজার জেলার মধ্য দিয়ে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলো:
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস (প্রধান স্টেশন):
চট্টগ্রাম → ফটিকছড়ি → নাজিরহাট → রামু → কক্সবাজার
সৈকত কমিউটার (সব স্টেশনে থামে):
চট্টগ্রাম → ফটিকছড়ি → নাজিরহাট → খরনা → হাইদছড়ি → রামু → জালিয়াপালং → কক্সবাজার
২০২৬ সালে সৈকত কমিউটারে নতুন করে খরনা ও জালিয়াপালং স্টেশনে যাত্রাবিরতি যুক্ত হয়েছে।
৪. চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার ট্রেনের ভাড়ার তালিকা ২০২৬ (নতুন দর)
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করে। নিচে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটের শ্রেণিভিত্তিক নতুন ভাড়া এবং ২০২৫ সালের সাথে তুলনা দেওয়া হলো:
| আসনের শ্রেণি | ২০২৫ সালের ভাড়া | ২০২৬ সালের ভাড়া | পরিবর্তন (%) |
|---|---|---|---|
| শোভন | ১৫৫ টাকা | ১৬৫ টাকা | +৬.৪৫% |
| শোভন চেয়ার | ১৯০ টাকা | ২০৫ টাকা | +৭.৮৯% |
| প্রথম শ্রেণি সিট | ২৭৫ টাকা | ২৯৫ টাকা | +৭.২৭% |
| প্রথম শ্রেণি বার্থ | ৪১০ টাকা | ৪৪০ টাকা | +৭.৩২% |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ৪৭৫ টাকা | ৫১০ টাকা | +৭.৩৭% |
| এসি সিট | ৫৬০ টাকা | ৬০০ টাকা | +৭.১৪% |
| এসি বার্থ | ৮৫০ টাকা | ৯১৫ টাকা | +৭.৬৫% |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিতে শুধুমাত্র এসি চেয়ার ও স্নিগ্ধা শ্রেণি রয়েছে। কক্সবাজার এক্সপ্রেসে সব শ্রেণি পাওয়া যায়।
৫. ২০২৬ সালে টিকেট সংগ্রহের নতুন ডিজিটাল পদ্ধতি
২০২৬ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকেট ব্যবস্থায় বেশ কিছু আধুনিকায়ন এনেছে:
-
অনলাইন টিকিটিং (হালনাগাদ): পুরনো সিস্টেমের তুলনায় দ্রুততর। ওয়েবসাইট: eticket.railway.gov.bd
-
রেল সহায়িকা অ্যাপ (২০২৬ সালের নতুন): সরকারি এই অ্যাপ থেকে সরাসরি টিকিট কাটা যায়, সার্ভিস চার্জ নেই।
-
স্মার্ট কার্ড টিকিট: ২০২৬ সালের মার্চ থেকে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু।
-
মোবাইল অ্যাপ (শোহোজ, শেয়ারট্রিপ): আগের মতোই আছে, তবে সার্ভিস চার্জ ১৫-২৫ টাকা।
-
স্টেশন কাউন্টার: সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (অগ্রিম ৭ দিন আগে)।
টিপস: কক্সবাজার রুটে পর্যটকদের ভিড় বেশি, তাই ট্রেন ছাড়ার ১০ দিন আগে রাত ৮টায় অনলাইনে টিকিট কেটে নিন।
৬. কক্সবাজার স্টেশন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনটি শহরের মূল প্রবেশদ্বার থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ২০২৬ সালে স্টেশনের সুবিধাগুলো:
-
আধুনিক ওয়েটিং রুম (এসি ও নন-এসি)
-
ডিজিটাল টিকিট কাউন্টার (সকাল ৬টা – রাত ১০টা)
-
ফুড কোর্ট ও রেস্টুরেন্ট
-
পর্যটক তথ্য কেন্দ্র
-
পার্কিং ব্যবস্থা (বাইক ৩০ টাকা, কার ৮০ টাকা)
-
ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা
-
প্রস্রাব ও টয়লেট সুবিধা (পে অ্যান্ড ইউজ)
স্টেশন থেকে কক্সবাজার সৈকত ও হোটেল এলাকায় সিএনজি ও বাস পাওয়া যায় (ভাড়া ৫০-৮০ টাকা
৭. চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেন যাত্রার ভ্রমণ টিপস (২০২৬)
-
আগাম টিকিট কাটুন: পর্যটন মৌসুমে (অক্টোবর-মার্চ) ট্রেনের টিকিট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। অন্তত ৭-১০ দিন আগে অনলাইনে টিকিট কেটে নিন।
-
সকালের ট্রেন বেছে নিন: কক্সবাজার এক্সপ্রেস সকাল ৭টায় ছাড়ে, সকাল সাড়ে ১০টায় পৌঁছে যায়। এতে দিনের বেলা ঘুরার যথেষ্ট সময় পান।
-
এসি শ্রেণি নিন: গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল-জুন) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুট গরম থাকে, তাই এসি শ্রেণি আরামদায়ক।
-
জানালার পাশের আসন বেছে নিন: পাহাড়ি ও নদীর দৃশ্য উপভোগ করতে জানালার পাশের আসন উত্তম।
-
খাবার সঙ্গে রাখুন: ট্রেনে প্যান্ট্রি কার আছে, তবে মান সবসময় ভালো নাও হতে পারে।
-
ফিরতি টিকিট আগে কেটে নিন: কক্সবাজার থেকে ফেরার সময় টিকিট পাওয়া কঠিন, তাই আগেভাগে ফিরতি টিকিট কেটে রাখুন।
৮. বিকল্প পরিবহনের তুলনায় ট্রেনের সুবিধা (২০২৬)
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার বিকল্প মাধ্যম হলো বাস ও প্রাইভেট কার। তুলনামূলক আলোচনা:
| মাধ্যম | সময় | ভাড়া | আরাম | নিরাপত্তা | ট্রাফিক ঝামেলা |
|---|---|---|---|---|---|
| ট্রেন | ৩.৪০ – ৪.১৫ ঘণ্টা | ১৬৫-৯১৫ টাকা | খুব ভালো | উচ্চ | নেই |
| বাস | ৪.৫ – ৬ ঘণ্টা | ৪০০-১২০০ টাকা | মাঝারি | মাঝারি | প্রচণ্ড |
| প্রাইভেট কার | ৩.৫ – ৪ ঘণ্টা | ৩৫০০-৫০০০ টাকা | ভালো | মাঝারি | মাঝারি |
সিদ্ধান্ত: ট্রেন সব দিক দিয়েই বাসের চেয়ে ভালো – সময় কম, ভাড়া কম (সাধারণ শ্রেণিতে), আরাম বেশি।
উপসংহার
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথ ২০২৩ সালে চালু হওয়ার পর থেকে পর্যটক ও স্থানীয়দের যাতায়াতের এক অনন্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালে এই রুট আরও সমৃদ্ধ হয়েছে – নতুন ট্রেন ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ যুক্ত হয়েছে, সময়সূচী হালনাগাদ হয়েছে, ভাড়া যুক্তিসঙ্গতভাবে বেড়েছে (৬-৮%), এবং ডিজিটাল টিকেটিং ব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে।
আমরা এখানে শুধু সময় ও ভাড়াই দেইনি, বরং টিকেট সংগ্রহের পদ্ধতি, যাত্রাপথের স্টেশন, ভ্রমণ টিপস এবং বিকল্প পরিবহনের তুলনাও দিয়েছি। আপনি যদি সকালে যেতে চান, তাহলে কক্সবাজার এক্সপ্রেস (সকাল ৭টা) উত্তম। দুপুরে যেতে চাইলে নতুন পর্যটক এক্সপ্রেস (দুপুর ২টা ৩০ মিনিট) বেছে নিন। আর বাজেট কম হলে সৈকত কমিউটার (বিকাল ৫টা ১৫ মিনিট) নিতে পারেন।
আমাদের পরামর্শ:
-
পিক সিজনে (অক্টোবর-মার্চ) অন্তত ১০ দিন আগে টিকিট কাটুন।
-
এসি চেয়ার শ্রেণি নিলে যাত্রা আরামদায়ক হয়।
-
কক্সবাজার স্টেশন থেকে সৈকত যেতে সিএনজি নিলে ভাড়া ৬০-৮০ টাকা।
-
ফিরতি টিকিট আগে কেটে রাখতে ভুলবেন না।
আমাদের সাইটে নিয়মিত ট্রেন-সম্পর্কিত আপডেট তথ্য প্রকাশিত হয়। আপনার মতামত ও প্রশ্ন কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। নিচে ট্রেন-সম্পর্কিত সচল ওয়েবসাইটগুলোর লিংক দেওয়া হলো (ব্যাকলিংক):
শুভ যাত্রা ও কক্সবাজার ভ্রমণ উপভোগ করুন!
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ) – ৩৫টি প্রশ্নোত্তর
-
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের প্রথম ট্রেন কোনটি?
উত্তর: সকাল ০৭:০০-এ ছাড়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮০১)। -
প্রশ্ন: শেষ ট্রেন কোনটি?
উত্তর: বিকাল ০৫:১৫-এ ছাড়া সৈকত কমিউটার (৮০৫)। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে সবচেয়ে দ্রুতগতির ট্রেন কোনটি?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (যাত্রা সময় ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট)। -
প্রশ্ন: নতুন ট্রেন ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ কখন চালু হয়েছে?
উত্তর: ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে চালু। -
প্রশ্ন: কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ২০২৬ সালের ভাড়া কত?
উত্তর: শোভন ১৬৫ টাকা, শোভন চেয়ার ২০৫ টাকা, এসি সিট ৬০০ টাকা। -
প্রশ্ন: মঙ্গলবার কোন ট্রেন বন্ধ থাকে?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (উভয় দিক)। -
প্রশ্ন: বুধবার কোন ট্রেন বন্ধ?
উত্তর: পর্যটক এক্সপ্রেস। -
প্রশ্ন: শুক্রবার সৈকত কমিউটার চলে?
উত্তর: না, শুক্রবার সৈকত কমিউটার বন্ধ থাকে। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে ভাড়া কত শতাংশ বেড়েছে?
উত্তর: গড়ে ৬-৮% বেড়েছে। শোভন শ্রেণিতে ৬.৪৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। -
প্রশ্ন: চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব কত কিলোমিটার?
উত্তর: প্রায় ১৫০ কিলোমিটার (রেলপথে)। -
প্রশ্ন: ট্রেনে এসি স্লিপারের ভাড়া কত (২০২৬)?
উত্তর: ৯১৫ টাকা। -
প্রশ্ন: অনলাইনে টিকিট কাটার সর্বোচ্চ কত দিন আগে?
উত্তর: ট্রেন ছাড়ার ১০ দিন আগ থেকে শুরু করে ১ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে নতুন ‘রেল সহায়িকা’ অ্যাপে সার্ভিস চার্জ কত?
উত্তর: কোনো সার্ভিস চার্জ নেই, সম্পূর্ণ ফ্রি। -
প্রশ্ন: ছাত্র ছাড় ২০২৬ সালে কি আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, শোভন শ্রেণিতে ৩০% ছাড় বহাল আছে। -
প্রশ্ন: পর্যটক এক্সপ্রেসে কোন কোন শ্রেণি আছে?
উত্তর: শুধুমাত্র এসি চেয়ার ও স্নিগ্ধা শ্রেণি। -
প্রশ্ন: নারী যাত্রীদের জন্য কি আলাদা কোচ আছে?
উত্তর: প্রতিটি ট্রেনে ১-২টি নারী কোচ বরাদ্দ থাকে। -
প্রশ্ন: ট্রেনে ল্যাপটপ চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: এসি সিট, স্নিগ্ধা ও এসি বার্থে চার্জিং পয়েন্ট আছে। -
প্রশ্ন: সৈকত কমিউটার কোথায় কোথায় থামে?
উত্তর: ফটিকছড়ি, নাজিরহাট, খরনা, হাইদছড়ি, রামু, জালিয়াপালং প্রভৃতি স্টেশনে। -
প্রশ্ন: টিকিট ক্যানসেল করলে টাকা ফেরত পাই?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেন ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা আগে ক্যানসেল করলে ৮০% ফেরত। -
প্রশ্ন: কক্সবাজার স্টেশন থেকে সৈকত যেতে কত ভাড়া?
উত্তর: সিএনজি বা বাসে ৫০-৮০ টাকা। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ কোথায়?
উত্তর: এটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। -
প্রশ্ন: ট্রেনের সময়সূচী কোথায় দেখব?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা আমাদের সাইটে। -
প্রশ্ন: গ্রীষ্মকালে ট্রেনে যাওয়া কেমন?
উত্তর: গরম লাগতে পারে, তাই এসি শ্রেণি নেওয়া ভালো। -
প্রশ্ন: সর্বনিম্ন ভাড়া কত (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার)?
উত্তর: ১৬৫ টাকা (শোভন আসন)। -
প্রশ্ন: স্মার্ট কার্ড টিকিট কিভাবে পাব?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার স্টেশনের নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে (পরীক্ষামূলক)। -
প্রশ্ন: ঈদ বা উৎসবের সময় বিশেষ ট্রেন চালু হয়?
উত্তর: হ্যাঁ, রেলওয়ে প্রয়োজনে বিশেষ ট্রেন চালু করে (আলাদা ঘোষণা)। -
প্রশ্ন: স্টেশনের টিকিট কাউন্টার কখন খোলে?
উত্তর: সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ভিন্ন হতে পারে)। -
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি কত?
উত্তর: কক্সবাজার এক্সপ্রেস সর্বোচ্চ ৮০-৯০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলে। -
প্রশ্ন: শিশুদের ভাড়া কত?
উত্তর: ৩-১০ বছর বয়সী শিশুদের অর্ধেক ভাড়া (আসন পেলে)। -
প্রশ্ন: ট্রেনের টয়লেট কেমন?
উত্তর: আন্তঃনগর ট্রেনের টয়লেট পরিষ্কার থাকে, ২০২৬ সালে আরও উন্নত হয়েছে। -
প্রশ্ন: ট্রেনের অভিযোগ কোথায় জানাব?
উত্তর: রেলওয়ে হেল্পলাইন ১৩৩৩ নম্বরে অথবা স্টেশন মাস্টারের কাছে। -
প্রশ্ন: এই আর্টিকেলের তথ্য কতদিন আপডেট থাকবে?
উত্তর: ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সঠিক; পরে নতুন আপডেট দেওয়া হবে। -
প্রশ্ন: সৈকত কমিউটারের যাত্রা সময় কত (২০২৬)?
উত্তর: ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট (পূর্বে ছিল ৪ ঘণ্টা)। -
প্রশ্ন: কক্সবাজার এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম ছাড়ার নতুন সময় কত?
উত্তর: সকাল ০৭:০০ (পূর্বে ছিল ০৭:১০)। -
প্রশ্ন: পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিট কি সহজে পাওয়া যায়?
উত্তর: নতুন ট্রেন হওয়ায় তুলনামূলক সহজে পাওয়া যায়, তবে পর্যটন মৌসুমে আগে বুকিং দিন।






